শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২৬, ০৯:১৭ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রাচীন ধান-মাছ যৌথচাষের কার্যকারিতা প্রমাণ করলো চীনের গবেষণা

প্রাচীনকালে ধান-মাছের যৌথ চাষপদ্ধতির প্রচলন ছিল চীনজুড়ে। এর কার্যকারিতা এবার বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন শাংহাইভিত্তিক গবেষকেরা। ইস্ট চায়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৮টি দেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখেছেন, এই পদ্ধতি ধানের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে কীটপতঙ্গ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

গবেষকরা চার বছর মাঠপরীক্ষায় দেখেছেন, ধান-মাছ সহচাষ এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং শিকারি মাকড়সার সংখ্যা বাড়ে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রচলিত একক ধানচাষের তুলনায় ধান-মাছ সহচাষ ব্যবস্থায় ধানের ফলন গড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিতে থাকা মাছের কারণে উপকারী অমেরুদণ্ডী শিকারি প্রাণী ও পরজীবী কীটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকামাকড় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ, রোগবালাই ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আগাছা ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের অধ্যাপক ওয়ান নিয়ানফেং বলেন, এই পদ্ধতি খাদ্য নিরাপত্তা, কীটনাশক ব্যবহার কমানো, কৃষিজ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

চীন, ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের যৌথ গবেষণাপত্রটি সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএমজি

  • সর্বশেষ