শিরোনাম
◈ বেনজীরের জামিন আদেশ বাতিলে দুবাইয়ে ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দীর্ঘ হবে: মির্জা ফখরুল ◈ ডিএনসিসির প্রশাসক ও ঢাকা- ১৮ আসনের এমপির ওপর হামলা, কী ঘটেছিল? (ভিডিও) ◈ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১৫৯৮ ◈ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৪৪ ◈ পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা শুধু ‘রিমাইন্ডার’: ডিবি প্রধান ◈ ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বে‌শির ভাগ ব্রা‌জি‌লিয়ান‌দের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ নেই ◈ শর্তসাপেক্ষে দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর আহমেদ, পাসপোর্ট জব্দের কারণে আমিরাত ছাড়তে পারবেন না ◈ দেশজুড়ে কেন সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১৪ রাত
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শক্তিশালী কেবল-কাটার প্রযুক্তি উন্মোচন, বিশ্ব ব্যবস্থার ভারসাম্যে পরিবর্তনের আশঙ্কা চীনের নতুন পদক্ষেপ

বিশ্বের সামুদ্রিক ভূ-রাজনীতিতে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে চীন। সম্প্রতি দেশটি গভীর সমুদ্রের তলদেশে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ‘কেবল-কাটার’ বা তার কাটার যন্ত্র উন্মোচন করেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই যন্ত্রটি সমুদ্রের তলদেশে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শক্তিশালী যোগাযোগ বা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনগুলো মুহূর্তেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে সক্ষম।

হংকং ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথম কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এমন প্রযুক্তির অস্তিত্বের কথা স্বীকার করল, যা বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ও ডেটা সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অসাধ্য সাধনে সক্ষম এই প্রযুক্তি:

চীনা বিজ্ঞানীদের তৈরি এই ক্ষুদ্রাকৃতির যন্ত্রটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,০০০ মিটার (প্রায় ১৩,১২৩ ফুট) গভীরে গিয়ে কাজ করতে পারে। বর্তমানে বিশ্বে প্রচলিত সাবমেরিন কেবলগুলো সাধারণত যে গভীরতায় থাকে, এই যন্ত্রটি তার চেয়েও দ্বিগুণ গভীরতায় গিয়ে সেগুলো কেটে ফেলতে সক্ষম। এতে স্টিল, রাবার এবং বিশেষ পলিমারের কঠিন আবরণযুক্ত সাঁজোয়া কেবলও সহজেই কাটা যাবে।

কেন বাড়ছে আতঙ্ক?

সারা বিশ্বের ৯৫ শতাংশ ডেটা আদান-প্রদান হয় সমুদ্রের তলদেশের এসব কেবলের মাধ্যমে। যদিও চীন দাবি করছে, এটি মূলত বেসামরিক উদ্ধারকাজ এবং সমুদ্রের তলদেশে খনিজ উত্তোলনের জন্য তৈরি করা হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞরা একে সামরিক ক্ষেত্রে গেম-চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন। কোনো ভূ-রাজনৈতিক সংকটের সময় যদি চীন কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে (যেমন গুয়াম বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) এই যন্ত্র ব্যবহার করে কেবল বিচ্ছিন্ন করে দেয়, তবে মুহূর্তেই থমকে যেতে পারে আমেরিকা বা পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক ও বেসামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

চীনের 'চায়না শিপ সায়েন্টিফিক রিসার্চ সেন্টার' (CSSRC) এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে। এটি চীনের অত্যাধুনিক চালকযুক্ত এবং চালকবিহীন সাবমার্সিবল যেমন— 'ফেনদৌজে' (Striver) বা 'হাইদু' সিরিজের সাথে যুক্ত করে ব্যবহার করা যাবে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই নতুন অস্ত্র বিশ্ব ব্যবস্থার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং সমুদ্রতলের এই অদৃশ্য যুদ্ধ ভবিষ্যতে এক নতুন বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়