শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন গ্র্যাজুয়েট কর্ম ভিসা ও পোস্ট-স্টাডি সুবিধার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে নতুন স্বল্পমেয়াদি গ্র্যাজুয়েট কর্ম ভিসা চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড। একই সঙ্গে বিদ্যমান শিক্ষাপরবর্তী ভিসার যোগ্যতাও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা শেষের পর কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা এবং দেশের বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতি পূরণ করা। ১২ মার্চ এ প্রক্রিয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে।

ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদি গ্র্যাজুয়েট ভিসা
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ দিকে চালু হবে এই ভিসা–সুবিধা। এর মাধ্যমে যোগ্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ছয় মাসের ওপেন ওয়ার্ক রাইটস পাবেন। এতে তাঁরা চাকরি খুঁজে নেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং পরে প্রয়োজনে নিয়োগকর্তা-স্পন্সরড ওয়ার্ক ভিসায় যেতে পারবেন। এই ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীদের নিউজিল্যান্ড কোয়ালিফিকেশনস অ্যান্ড ক্রেডেনশিয়ালস ফেম্রওয়ার্ক–এনজেডকিউসিএফ (New Zealand Qualifications and Credentials Framework NZQCF)-এর লেভেল ৫ থেকে ৭-এর কোনো যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

আবেদনের যোগ্যতা—
– অন্তত ২৪ সপ্তাহ পূর্ণকালীনভাবে নিউজিল্যান্ডে পড়াশোনা করতে হবে।

– ইংরেজি ভাষা, ফাউন্ডেশন বা ব্রিজিং প্রোগ্রাম গ্রহণযোগ্য হবে না।

– শিক্ষার্থীর কাছে অন্তত ৫,০০০ নিউজিল্যান্ড ডলার থাকার প্রমাণ থাকতে হবে।

– স্টুডেন্ট ভিসা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

এই ভিসাধারী ব্যক্তিরা চাকরির চুক্তি বা সেবাচুক্তির ভিত্তিতে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন। তবে তাঁরা নিজস্ব ব্যবসা চালু করতে পারবেন না এবং সঙ্গী বা সন্তানদের জন্য কাজ বা স্টাডি ভিসা স্পন্সর করার সুযোগও থাকবে না।

পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসায় নতুন সুযোগ—
একই সঙ্গে সরকার বিদ্যমান শিক্ষাপরবর্তী ভিসার যোগ্যতাও বাড়াচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষ থেকে যাঁরা নিউজিল্যান্ডে এনজেডকিউসিএফ লেভেল ৭-এর গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করবেন, তাঁরাও এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন—যদি তাঁদের একটি ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকে, যা নিউজিল্যান্ড বা বিদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত হতে পারে। আবেদনকারীদের ডিপ্লোমা কোর্সের পুরো সময় নিউজিল্যান্ডে সম্পন্ন করতে হবে এবং ব্যাচেলর ডিগ্রির সনদ ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট জমা দিতে হবে। বিদেশি ডিগ্রির ক্ষেত্রে আলাদা আন্তর্জাতিক যোগ্যতা মূল্যায়ন প্রয়োজন হবে না, তবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে ডিগ্রির সত্যতা যাচাই করতে পারবে।

একবারই পাওয়া যাবে শিক্ষাপরবর্তী ভিসা—
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একজন ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে অবস্থানকালে শুধু একবারই শিক্ষাপরবর্তী ভিসা পাবেন, এমনকি পরে একই বা উচ্চতর স্তরের আরেকটি ডিগ্রি সম্পন্ন করলেও। তবে এই ভিসাধারী ব্যক্তিরা অভিবাসন নীতিমালা পূরণ করলে তাঁদের সঙ্গী ও নির্ভরশীল সন্তানদের জন্য ভিজিটর, ওয়ার্ক বা স্টুডেন্ট ভিসা স্পন্সর করতে পারবেন।

অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এই পরিবর্তনগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সংযোগ আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়