শিরোনাম
◈ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে নতুন ঋণসুবিধা, বিল-রিচার্জে মিলবে ৫ হাজার টাকা ◈ ঋণ সংকোচনে হুমকিতে গ্রামীণ অর্থনীতি, বাড়ছে শঙ্কা ◈ নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ◈ ‘হাসিনা কার্ড’ ঘিরে নতুন টানাপোড়েন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে আস্থার সংকট ◈ দেবিদ্বারে গৃহবধূকে হত্যা: টুকরা টুকরা অংশ উদ্ধার, পাওয়া যায়নি মাথা ও পা ◈ দেশ ও মানুষের কল্যাণে মানবিকতা নিয়ে কাজ করুন: ইউএনওদের প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত, ১১ দলীয় জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত হবে রোববার ◈ কানাডায় ভারতীয়দের ওপর কড়াকড়ি, ৬ মাসে বহিষ্কার ৩,৩২৩ ◈ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনাকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল সরকার ◈ বাংলাদেশে প্রথমবার চালু হচ্ছে ই-ভিসা, ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মিলবে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪৫ সকাল
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুধু বিড়ালকে খাবার দিয়েই দুই সপ্তাহে আয় ২৮ লাখ টাকা

দুই সপ্তাহ শুধু বিড়ালকে খাবার দিয়েছেন, খাবার খাইয়েছেন। আর তাতেই চীনা এক তরুণ ১ লাখ ৬০ হাজার ইউয়ান আয় করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকার বেশি।

চীনা এই তরুণের অর্থ উপার্জন কৌশল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

চীনা এই তরুণের নাম হুয়ান কং, জন্ম ১৯৯১ সালে, থাকেন সাংহাইয়ে। এ বছর চীনা নববর্ষের সময় তিনি এই অর্থ আয় করেন। এ বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত চীনা নববর্ষ উদ্‌যাপন করা হয়।

চীনের সবচেয়ে বড় উৎসব চীনা নববর্ষ। এ সময়ে দীর্ঘ ছুটি থাকে, যে কারণে দেশটির প্রচুর মানুষ ভ্রমণ করেন। কেউ লম্বা ছুটির সুযোগে বেড়াতে বের হন, আবার কেউ কেউ শহর থেকে গ্রামে বা ছোট শহরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান। বলা হয়ে থাকে, চীনা নববর্ষের সময়ই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ ভ্রমণ করেন।

কিন্তু ভ্রমণের সময় পোষা প্রাণীকে সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ সবার থাকে না। তাই এই সময়ে পেশাদার প্রাণী-যত্ন সেবার চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। হুয়ান ৯ বছর ধরে পেশাদার হিসেবে এই খাতে কাজ করছেন। তিনি নিজের একটি দল গড়ে তুলেছেন।

হুয়ান মূলত গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিড়ালকে খাবার দিয়ে আসার কাজ করেন।

এ বছর চীনা নববর্ষের সময় হুয়ান ও তাঁর চার সদস্যের দল সাংহাই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেখানে তাঁরা ভ্রমণে গেছেন বা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে নিজ নিজ শহরে গেছেন, এমন ব্যক্তিদের পোষা বিড়ালকে খাবার দেওয়ার দায়িত্ব নেন।

উৎসবের আগে ও পরে মিলিয়ে ২০ দিনের বেশি সময় ধরে হুয়ানের দল প্রায় দুই হাজার বাড়িতে গিয়ে বিড়ালকে খাবার দিয়েছেন। হুয়ান নিজে প্রায় এক হাজার বাড়িতে গিয়েছেন।

হুয়ানের দল যাঁদের সেবা দেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই নিয়মিত সেবাগ্রহীতা, প্রায় প্রতিবছরই তাঁরা সেবা নেন।

উৎসবের সময় হুয়ান প্রতিদিন ভোর তিনটায় কাজ শুরু করেন। একটানা রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কাজ করেন। এ সময় তিনি দিনে মাত্র তিন-চার ঘণ্টা ঘুমান। সবচেয়ে ব্যস্ত দিনে তিনি প্রায় ৫৫টি বাড়িতে যেতে পারেন।

প্রতিটি বাড়িতে হুয়ানের ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। এ সময়ের মধ্যে তিনি বিড়ালের মলমূত্র (লিটার বক্স) পরিষ্কার করেন, খাবার ও পানি পাল্টে দেন এবং বিড়ালের স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন, পরে সঙ্গে করে সব আবর্জনা নিয়ে বেরিয়ে আসেন।

এ সময় অর্থের বিনিময়ে হুয়ান বাড়তি সেবাও দেন। যেমন বিড়ালকে ওষুধ খাওয়ানো, নখ কেটে দেওয়া ইত্যাদি।

উৎসবের সময় হুয়ানদের বড় অঙ্কের আয় দেখাচ্ছে, বড় উৎসবের সময় যখন পোষা প্রাণীর মালিকেরা বাড়ির বাইরে থাকেন, তখন পোষা প্রাণীর যত্নে বিশ্বাসযোগ্য পরিষেবার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়