শিরোনাম
◈ একটি গবেষণা রকেট যেভাবে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলেছিল প্রায় ◈ এক হালি ডিমের দামেও মিলছে না একটি লেবু ◈ দুর্বল উলভসকে হারা‌তে পার‌লো না আর্সেনাল ◈ ইমরান খা‌নের অসুস্থতা নিয়ে পাকিস্তান সরকারকে তোপ সৌরভ গাঙ্গু‌লির, উদ্বেগে আজহারও ◈ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কতটা মোকাবেলা করতে পারবে বিএনপি সরকার? ◈ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশ, ৭০ দেশের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণ ◈ যে কারণে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হোটেলের বাসন মাজতে হলো হ‌কি খেলোয়াড়দের ◈ আজ বাংলামোটরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি ◈ রমজানে মেট্রোরেল চলবে নতুন সময়সূচিতে, ট্রেনে ইফতার করা নিয়ে যা বললো কর্তৃপক্ষ ◈ শেখ বশিরউদ্দীনকে বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিলো সরকার

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলল বেইজিং

সমুদ্রসীমায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে চীন। সাম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির দৌড়ে ওয়াশিংটনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে বেইজিং। 

থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চীন যেখানে ১০টি পারমাণবিক সাবমেরিন পানিতে নামিয়েছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র পেরেছে মাত্র ৭টি। শুধু সংখ্যায় নয়, এই ডুবোজাহাজগুলোর মোট ওজনের দিক থেকেও বেইজিং এখন ওয়াশিংটনের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের হুলুদাও শিপইয়ার্ডে এখন কর্মযজ্ঞের জোয়ার চলছে, যা পেন্টাগনের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদিও সক্রিয় সাবমেরিনের মোট সংখ্যার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, তবে চীনের এই দ্রুত উত্থান সেই ব্যবধানকে দ্রুত কমিয়ে আনছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ৬৫টি পারমাণবিক সাবমেরিন থাকলেও চীনের রয়েছে মাত্র ১২টি। তবে বেইজিংয়ের হাতে এর বাইরেও ৪৬টি ডিজেলচালিত শক্তিশালী সাবমেরিন রয়েছে, যা আমেরিকার ভাণ্ডারে একেবারেই নেই। বিশেষ করে চীনের নতুন প্রযুক্তির টাইপ-০৯৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিনগুলো পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম হওয়ায় তা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। এর বিপরীতে মার্কিন নৌবাহিনীর নিজস্ব নির্মাণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। ভার্জিনিয়া-ক্লাস এবং কলম্বিয়া-ক্লাস সাবমেরিন তৈরির প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে থাকায় মার্কিন নীতিনির্ধারকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

মার্কিন নৌসচিব জন ফেলান সম্প্রতি এক শুনানিতে স্বীকার করেছেন, তাদের বর্তমান জাহাজ নির্মাণ কর্মসূচিগুলো বেশ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অনেক প্রকল্পই বাজেট ছাড়িয়ে গেছে এবং নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক মাস পিছিয়ে আছে। অন্যদিকে, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, নৌ-যুদ্ধে সাধারণত সংখ্যাতাত্ত্বিক দিক থেকে শক্তিশালী পক্ষই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে। যদিও গুণগত মান এবং নিঃশব্দে চলাচলের প্রযুক্তিতে মার্কিন সাবমেরিনগুলো এখনো এগিয়ে আছে বলে ধারণা করা হয়, কিন্তু চীনের বিশালাকার নৌবহর সেই প্রযুক্তিগত সুবিধাকে ম্লান করে দিতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে মার্কিন সাবমেরিন বহরের সংখ্যা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়