শিরোনাম
◈ আজ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিশ্বকাপে খেল‌তে না পারার হতাশা কাটিয়ে উঠছে ক্রিকেটাররা, বল‌লেন কোচ সিমন্স ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় নতুন কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু, বিশ্ব অর্থনীতিতে শঙ্কা ◈ অর্থ সংকট থাকলে সরকার বন্ড দিতে পারে: বিআইপিপিএ ◈ সরবরাহ সংকট কাটেনি, তেল নেই অনেক পাম্পেই ◈ যুদ্ধের ছায়া প্রবাসজীবনে, দেশে উদ্বেগে পরিবার ◈ বেসরকারি ৪ ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ ◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন 

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নেপালে মসজিদ ভাঙচুরকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা: ভারত-নেপাল সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা ও কারফিউ জারি

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলের পার্সা জেলায় একটি মসজিদে ভাঙচুরের ঘটনা তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেপাল প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ভারত নেপালের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর এনডিটিভির।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সীমান্তবর্তী নেপালের একাধিক এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে নেপালের নিরাপত্তা বাহিনী।
 
পুলিশের বরাতে এনডিটিভি জানায়, ধানুষা জেলার কমলা মিউনিসিপ্যালিটির সাখুয়া মারান এলাকায় একটি মসজিদে ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতিকারী। এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে পার্সা জেলার বীরগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ধানুষা জেলার ঘটনায় বীরগঞ্জে প্রতিবাদে নামেন বিক্ষোভকারীরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানায়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং একটি স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রায় ছয় রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বলে জানানো হয়েছে।
 
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় সোমবার বিকেলে জেলার কিছু অংশে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিক্ষোভ চলতে থাকলে কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করে। প্রাথমিকভাবে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়। পরে পরিস্থিতির অবনতি ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে কারফিউ দুপুর ১টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
 
এদিকে নেপালে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের দায়িত্বে থাকা সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) পুরো সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া সাধারণ নাগরিকদের সব সীমান্ত যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে।
 
বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে ভারত-নেপাল সংযোগকারী মৈত্রী ব্রিজেও। সীমান্ত পার হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তির কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে সেখানে ডগ স্কোয়াডও মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়