শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৯ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২৬ সালে চাঁদে পা রাখবে পাকিস্তান

২০২৫ সাল পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী বছর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই অর্জনকে সামনে রেখে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে দেশটি চাঁদে পা রাখার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো) এর পরিচালক শাফাত আলী গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ‘সরকারের অব্যাহত সমর্থন এবং চীনের সঙ্গে শক্তিশালী সহযোগিতার কারণে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সালে পাকিস্তান চাঁদে পা রাখবে।’

advertisement

যদিও চন্দ্র অভিযানের বিস্তারিত পরিকল্পনা এখনো প্রকাশ করা হয়নি, পাকিস্তানি বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা মিশন পরিকল্পনা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং পে-লোড উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীনাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের সহায়তায় পাকিস্তান অত্যাধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি অর্জন করছে, যা দেশটির মহাকাশ অনুসন্ধান সক্ষমতা ও গবেষণায় ব্যাপক অগ্রগতি আনবে। একই সঙ্গে, দেশের মধ্যে মহাকাশ প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং উন্নয়নে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

advertisement

সুপারকো ইতোমধ্যেই যোগাযোগ, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের জন্য একাধিক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। এই সাফল্যগুলো পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণে তাদেরকে উৎসাহিত করেছে।

সুপারকোর পরিচালক শাফাত আলী বলেন, চাঁদের মিশনটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ নয়, এটি আমাদের জাতীয় গর্ব, বৈজ্ঞানিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং বৈশ্বিক মহাকাশ সম্প্রদায়ে পাকিস্তানের অবস্থান সুদৃঢ় করার প্রতীক।

advertisement

তিনি আরও যোগ করেন, এই মিশন দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে উৎসাহ বৃদ্ধি করবে। সূত্র: আরটিভি 

  • সর্বশেষ