শিরোনাম
◈ রেকর্ড মুনাফার পরও পুরো ব্যাংক খাতে লোকসান দেড় লাখ কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন ◈ বিত‌র্কিত ট‌্যাক‌লে আমার পা ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেতো না’ : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার ◈ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের তাগিদ জাতিসংঘের ◈ ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভয়ঙ্কর ফাঁদে মুসলিম নারী, প্রচারণার জন্য যৌনতাপূর্ণ ছবি তৈরি এবং অপব্যবহার করে ◈ ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, পেছনে ভারত-পাকিস্তান ◈ গণভবনের সামনে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, দায় নিতে চায় না দুই থানা ◈ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়ার আহ্বান ◈ কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি, রপ্তানির আশা মন্ত্রীর ◈ মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে কী হতে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১০৩ বছর বয়সে মারা গেলেন চীনের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী চেন নিং ইয়াং

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম প্রভাবশালী বিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা পদার্থবিদ চেন নিং ইয়াং শনিবার (১৮ অক্টোবর) মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।

মর্যাদাপূর্ণ সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পড়াশোনা করেছিলেন এবং অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়াং অসুস্থতার কারণে মারা গেছেন।

চীনের বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নে তার অবদানের প্রশংসা করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'অধ্যাপক ইয়াং বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ, আধুনিক পদার্থবিদ্যার বিকাশে বিপ্লবী অবদান রেখেছেন।'

নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট অনুসারে, সমতা সূত্রের বিষয়ে অবদানের জন্য ইয়াং ১৯৫৭ সালে সুং-দাও লির সঙ্গে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। তারা ছিলেন পদার্থবিদ্যায় প্রথম চীনা বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ী।

ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে, ১৯২২ সালে জন্মগ্রহণকারী ইয়াং সিংহুয়া ক্যাম্পাসের আশেপাশে বেড়ে ওঠেন, যেখানে তার বাবা গণিতের অধ্যাপক ছিলেন। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি সিংহুয়া থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৪৬ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৩৮ সালে একই নোবেল পুরস্কার জয়ী ইতালীয়-আমেরিকান পদার্থবিদ এনরিকো ফার্মির দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত হন। পরে তিনি প্রিন্সটনের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিতে অধ্যাপক হন। ১৯৮৬ সালে তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটিতে একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক-অ্যাট-লার্জ হন।

তিনি নোবেল পুরস্কারসহ তার অনেক পুরস্কার এবং নিবন্ধ উদারভাবে দান করেছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি সিংহুয়াতে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ইয়াং আমেরিকান নাগরিকত্ব লাভ করেছিলেন। কিন্তু এটি একটি বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত ছিল, যার জন্য তার বাবা তাকে ক্ষমা করেননি। ২০১৫ সালে তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়