শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৪ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের সমাবেশে ৩৬ জনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে যেসব কথা উঠছে

তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) সভাপতি ও অভিনেতা বিজয়ের নির্বাচনী সমাবেশে ভয়াবহ পদদলনের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) করুরে আয়োজিত এ সমাবেশে অন্তত ৩৬ জন প্রাণ হারিয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আট শিশু রয়েছে। আহত হয়েছে চল্লিশের বেশি মানুষ।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুপুরে সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও বিজয় প্রায় ছয় ঘণ্টা বিলম্বে সেখানে পৌঁছান। ততক্ষণে ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ে শ্বাসকষ্টে অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় বিজয় তাঁর বক্তব্য থামিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা প্রচারণা বাস থেকে সমর্থকদের উদ্দেশে পানির বোতল ছুড়ে দিতে থাকেন। এ সময় তাঁর কাছাকাছি যেতে থাকা সমর্থকদের একাংশ পড়ে গেলে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, হঠাৎ ঘটে যাওয়া পদদলনের কারণে অ্যাম্বুলেন্সও ভিড়ের মধ্যে আটকে পড়ে এবং দ্রুত আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘটনার পর প্রশাসন এলাকায় জরুরি সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে এবং আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিজয় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে দ্রাবিড় মুনেত্রা কাগজাম (ডিএমকে) নেতা ও মুখপাত্র সারণান আনন্দুরাই এই দুর্ঘটনার জন্য অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা বিজয় থালাপতি এবং তাঁর সমাবেশের আয়োজকদের দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তপ্ত রোদে অপেক্ষা করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

আনন্দুরাই বলেন, ‘আমরা সমস্যাটা এখানেই দেখছি। এটা এই অনুষ্ঠান আয়োজকদের পরিকল্পিত চাল। বিজয় খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন যে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু প্রথমেই তারা সেই সময়ে শুরু করেনি। প্রায় ছয় ঘণ্টা মানুষকে অপেক্ষা করানো হয়। কেন তারা এমন করল? তারা এটা করেছে যেন আরও বেশি ভিড় জড়ো হয়। এটা আয়োজকদের এক সস্তা চাল, আর এর কারণেই এখানে ফৌজদারি গাফিলতি হয়েছে।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়