শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা শহরের কেন্দ্রে দুই দিক থেকে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনারা

সূত্র-আল-জাজিরা: গাজা শহরের কেন্দ্রের দিকে দুই দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে শহরবাসীরা বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের দিকে সরে যেতে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি জানান, হামাসের ওপর চাপ বাড়াতে সেনাবাহিনীর পদাতিক, ট্যাংক ও গোলন্দাজ ইউনিট বিমান বাহিনীর সহায়তায় শহরের অভ্যন্তরে অগ্রসর হচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনারা শহরের উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ মাঝখানে ফেঁসে গিয়ে পশ্চিম দিকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন—যেখানে অবস্থিত আল-রশিদ উপকূলীয় সড়ক, যা দক্ষিণের দিকে চলে গেছে।

তাছাড়া অতিরিক্ত জনবহুল এলাকাগুলোর ওপর চালানো হামলায় আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন। এখন আমরা মানুষের ঢল দেখছি যারা বাঁচার জন্য ছুটে চলেছেন।

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান থেকে অব্যাহত বিমান হামলা হচ্ছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবোঝাই রোবট যান ব্যবহার করে এলাকা ধ্বংস করছে।

চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, শুধু বৃহস্পতিবার গাজা শহরে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় আছেন—এবার এমন এক পরিস্থিতিতে, যেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে কিছু নেই এবং তারা হয়তো আর কখনো ঘরে ফিরতে পারবেন না।

তবে এতকিছুর পরও অনেকেই নিজেদের জায়গা ছাড়েননি। ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন—যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

অনুবাদ: জাগো নিউস ২৪ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়