শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা শহরের কেন্দ্রে দুই দিক থেকে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনারা

সূত্র-আল-জাজিরা: গাজা শহরের কেন্দ্রের দিকে দুই দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে শহরবাসীরা বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের দিকে সরে যেতে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি জানান, হামাসের ওপর চাপ বাড়াতে সেনাবাহিনীর পদাতিক, ট্যাংক ও গোলন্দাজ ইউনিট বিমান বাহিনীর সহায়তায় শহরের অভ্যন্তরে অগ্রসর হচ্ছে।

advertisement

ইসরায়েলি সেনারা শহরের উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ মাঝখানে ফেঁসে গিয়ে পশ্চিম দিকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন—যেখানে অবস্থিত আল-রশিদ উপকূলীয় সড়ক, যা দক্ষিণের দিকে চলে গেছে।

তাছাড়া অতিরিক্ত জনবহুল এলাকাগুলোর ওপর চালানো হামলায় আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন। এখন আমরা মানুষের ঢল দেখছি যারা বাঁচার জন্য ছুটে চলেছেন।

advertisement

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান থেকে অব্যাহত বিমান হামলা হচ্ছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবোঝাই রোবট যান ব্যবহার করে এলাকা ধ্বংস করছে।

চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, শুধু বৃহস্পতিবার গাজা শহরে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

advertisement

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় আছেন—এবার এমন এক পরিস্থিতিতে, যেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে কিছু নেই এবং তারা হয়তো আর কখনো ঘরে ফিরতে পারবেন না।

তবে এতকিছুর পরও অনেকেই নিজেদের জায়গা ছাড়েননি। ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন—যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

অনুবাদ: জাগো নিউস ২৪ 

  • সর্বশেষ