শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৯ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আঞ্চলিক হুমকি নিয়ে ভারতের সতর্কবার্তা: বাংলাদেশে মৌলবাদ, চীন সীমান্ত অচলাবস্থা ও পাকিস্তানের ভূমিকা

টেলিগ্রাফ: বাংলাদেশে উগ্রপন্থিদের উত্থান, সন্ত্রাসে পাকিস্তানের অর্থায়ন, চীনের সঙ্গে সীমান্ত অচলাবস্থা এবং নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ভারতের চারপাশে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কলকাতায় চলমান কম্বাইন্ড কমান্ডার্স’ কনফারেন্সে। মঙ্গলবার নিরাপত্তা সংস্থার এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে কলকাতার অনলাইন টেলিগ্রাফ।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, ভারতের প্রতিবেশী বিশেষত বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দেশটির জন্য ‘নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ’ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান ভারতবিরোধী মনোভাব অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। তার সঙ্গে এ সমস্ত বিষয় নিয়েও সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে গভীরভাবে আলোচনা হচ্ছিল। শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব জাতীয় নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে বর্তমান ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে পর্যালোচনা করছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিম সীমান্তে পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে চলমান অচলাবস্থা ভারতের জন্য পরোক্ষ হুমকি তৈরি করছে। তিন দিনব্যাপী দ্বিবার্ষিক এই কনফারেন্স সোমবার কলকাতার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয়। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির রূপরেখা নির্ধারণের জন্য দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে একত্রিত করা হয় এই কনফারেন্সে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, কনফারেন্সের মূল লক্ষ্য ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে পাকিস্তান ও চীন-পাকিস্তান দুই দিক থেকে আসা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত হওয়া। এছাড়া নেপাল, বাংলাদেশ ও চীন সংক্রান্ত সীমান্ত সমস্যাও আলোচনায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থার সূত্র ভারতের পূর্ব সীমান্তের উদীয়মান চ্যালেঞ্জকে গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে অভিহিত করেছে।

এক গোয়েন্দা ব্যুরোর কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর উগ্রপন্থি উপাদানের উত্থান এবং দেশটিতে ক্রমবর্ধমান ভারতবিরোধী বক্তব্য আমাদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বছরের পর বছর বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বেড়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের সীমান্তবর্তী জেলার জনসংখ্যাগত ভারসাম্যে প্রভাব ফেলেছে এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব লাদাখের পূর্বাঞ্চল এবং পূর্ব সেক্টরে চীনের সঙ্গে সীমান্ত অচলাবস্থার সার্বিক পর্যালোচনাও করেছেন।

তিনি বলেন, কনফারেন্সের ফোকাস হচ্ছে ভবিষ্যৎ সক্ষমতা গড়ে তোলা, যৌথ ও সমন্বিত প্রতিক্রিয়ার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি, এবং শান্তি ও যুদ্ধ- উভয় সময়ে কাজের প্রক্রিয়ায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার কনফারেন্সে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ‘অস্থির বৈশ্বিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা এবং উদীয়মান নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটের’ কথা উল্লেখ করেন। অনুবাদ: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়