শিরোনাম
◈ আমি গু.লি করিনি আমাকে গু.লি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এএসআই (ভিডিও) ◈ সংসদে ১২টি বিল পাস ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যুদ্ধের প্রভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা! ◈ আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব, এনবিআরের ‘না’ ◈ চাহিদা মেটাতে ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার ◈ গত দুদিনে দুবার দাম বাড়ার পর আজ আবার কমেছে স্বর্ণের দাম! ◈ এডহক ক‌মি‌টির সদস‌্যদের ম‌ধ্যে বণ্টন হলো বিসিবির স্ট্যান্ডিং কমিটি, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ◈ বাংলা‌দেশ-ভারত সম্প‌র্কে অস্ব‌স্তির কারণ হ‌তে পা‌রে আওয়ামী লীগ! ◈ বিদেশি তারকাদের তুলোধোনা, আই‌পিএ‌লে দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০৩ দুপুর
আপডেট : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের নতি স্বীকারে বিশ্ব অর্থনীতিতে ইরানের প্রভাব আরও জোরালো

বিশ্ব অর্থনীতি কার্যত জিম্মি ইরানের হাতে। ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হওয়া এটাই প্রমাণ করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে পরিপূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিজয় বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়া ইরানের শর্তগুলোর দিকে তাকালে এর অসাড়তা টের পাওয়া যায়। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের দায়ে আবারও তারা এই প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবল শক্তিধর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করার জন্য তেহরানের খুব বেশি সামরিক শক্তি ব্যবহার করা প্রয়োজন নেই। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। গত মাসে এ মন্তব্য করেন সামান্তা গ্রস। তার এই মন্তব্যের বাস্তবতা টের পাচ্ছে বিশ্ব। যুদ্ধবিরতিতে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও তেল বাজার এখনই শঙ্কামুক্ত হচ্ছে না। বৈশ্বিক বাজার হরমুজ প্রণালির অবস্থা কেমন তার উপর নির্ভরশীল। প্রণালিটি খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পরই তেলের দামে বড় পতন হয়। যুক্তরাষ্ট্রের র্দীঘদিনের অবরোধ ইরানকে কোণঠাসা করে রেখেছে। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের ১৪ কোটি ব্যারেল তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

তেহরান এখন আগের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করতে সক্ষম হচ্ছে। তারা নিজেদের তেল, গ্যাস বিক্রির পরিমাণও বাড়াতে পেরেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের ৫ ভাগের ১ ভাগ জ্বালানি এবং ৩ ভাগের ১ ভাগ ইউরিয়া সারের কাঁচামাল রপ্তানি আটকে যায়। উপসাগরের রপ্তানিকারক দেশগুলোর কাছে বিকল্প কার্যকর কোনো পথ নেই। নীতিনির্ধারকরা সময়ক্ষেপণ করতে চাইলেও ব্যবসায়ীরা চাইছে না। তারা টোল দিয়ে হলেও নিরাপদে পণ্য পরিবহনের নিশ্চয়তা চায়। প্রতিটি দেশ অর্থনৈতিক চাপ অনুভব করছে। প্রতিটা দেশেই তেল, গ্যাসের জন্য লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। উৎপাদন ব্যবস্থা স্থবির হওয়ার মুখে। হরমুজে নিয়মিত জাহাজ চলাচল না হলে কমবে না এই অচলাবস্থা। বিশ্বব্যাপী এই চাপ ইরানকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। তারা তাদের শর্তেই ট্রাম্পকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে বাধ্য করছে এবং ইসরাইল শর্ত ভঙ্গ করায় আবারো হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়