শিরোনাম
◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত : ২৩ জুন, ২০২২, ০৪:৩৫ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২২, ০৪:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার চতুর্থ ঢেউ মানুষের মধ্যে শঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে: ডা. নাসিমা সুলতানা

ডা. নাসিমা সুলতানা

শাহীন খন্দকার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহা পরিচালক (প্রশাসন) ও ইউএনডিপির কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, দেশে প্রায় চার মাস পর একদিনে করোনাভাইরাসে (কাভিড-১৯) সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। সংক্রমণ বৃদ্ধি ও নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ায় সংক্রমণের নতুন ঢেউ নিয়ে বলেন, সবাইকে জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। 

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যা শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাল সংক্রমণের মতো গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়, এমনকি গর্ভাবস্থার পরেও এ ঝুঁকি বিদ্যমান। তাই গর্ভাবস্থায় একজন মা চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিনেটাল চেকআপ চারবারের অধিক করালে আরো ভালো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

ডা. নাসিমা আরো বলেন, এখন কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, হাসপাতাল রয়েছে- এসব জায়গায়তেই করা যাবে এন্টিনেটাল টেস্ট।

এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, এখন সংক্রমণের যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে বলা যায়, আমরা ইতিমধ্যেই চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করেছি। এখন দেখার বিষয় এ ঢেউ কতদূর পর্যন্ত যায়। তিনি বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি সংক্রমণের ধরন বিশ্লেষণ করা। করোনার ধরন সম্পর্কে জানতে পারলে বুঝা যাবে, এটি আমাদের কতটুকু ক্ষতি করতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি কতটা তীব্র হতে পারে, কত দ্রুত এটি ছড়াবে। এসব জানলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।
 
ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, যারা এখন আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের তথ্যও বিশ্লেষণ করতে হবে। বিশ্লেষণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বয়স, টিকা নেওয়ার অবস্থা ইত্যাদি জানতে হবে। যদি দেখা যায়,  যে সব ব্যাক্তি আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই করোনা টিকা নেননি অথবা এক ও দুই ডোজ নিয়েছেন। কিন্তু বুস্টার ডোজ নেননি তাহলে অবশ্যই দ্রুত টিকা নিতে হবে। 

মানুষকে টিকা নিতে উৎসাহিত করতে জোর দিতে হবে। নিয়ম করে  মাস্ক পরার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। করোনায় সংক্রমিত হলে অবশ্যই আইসোলেশন থাকতে হবে। রাজধানীতে বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে অর্থাৎ দেশের যে কোন এলাকায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে সেই এলাকাটি চিহ্নিত করে গুরুত্ব বেশি দিয়ে সেই সব এলাকা চিহ্নিত করতে করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়