শিরোনাম
◈ ভারতে ভ্রমণে যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ◈ আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ◈ শিক্ষকতা থেকে রাষ্ট্রপতি পদে, মির্জা ফখরুলের বর্ণিল রাজনৈতিক যাত্রা ◈ এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা পেলেন মাঠ কর্মকর্তারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ জুলাই জাদুঘরের নিদর্শন নষ্ট করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড ◈ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে বড় রদবদল, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাউদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী ◈ সরকার ও দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত ও ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত : ২৩ জুন, ২০২২, ০৪:৩৫ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২২, ০৪:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার চতুর্থ ঢেউ মানুষের মধ্যে শঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে: ডা. নাসিমা সুলতানা

ডা. নাসিমা সুলতানা

শাহীন খন্দকার: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহা পরিচালক (প্রশাসন) ও ইউএনডিপির কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, দেশে প্রায় চার মাস পর একদিনে করোনাভাইরাসে (কাভিড-১৯) সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। সংক্রমণ বৃদ্ধি ও নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ায় সংক্রমণের নতুন ঢেউ নিয়ে বলেন, সবাইকে জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। 

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যা শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাল সংক্রমণের মতো গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়, এমনকি গর্ভাবস্থার পরেও এ ঝুঁকি বিদ্যমান। তাই গর্ভাবস্থায় একজন মা চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিনেটাল চেকআপ চারবারের অধিক করালে আরো ভালো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

ডা. নাসিমা আরো বলেন, এখন কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, হাসপাতাল রয়েছে- এসব জায়গায়তেই করা যাবে এন্টিনেটাল টেস্ট।

এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, এখন সংক্রমণের যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে বলা যায়, আমরা ইতিমধ্যেই চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করেছি। এখন দেখার বিষয় এ ঢেউ কতদূর পর্যন্ত যায়। তিনি বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি সংক্রমণের ধরন বিশ্লেষণ করা। করোনার ধরন সম্পর্কে জানতে পারলে বুঝা যাবে, এটি আমাদের কতটুকু ক্ষতি করতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি কতটা তীব্র হতে পারে, কত দ্রুত এটি ছড়াবে। এসব জানলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।
 
ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, যারা এখন আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের তথ্যও বিশ্লেষণ করতে হবে। বিশ্লেষণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বয়স, টিকা নেওয়ার অবস্থা ইত্যাদি জানতে হবে। যদি দেখা যায়,  যে সব ব্যাক্তি আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই করোনা টিকা নেননি অথবা এক ও দুই ডোজ নিয়েছেন। কিন্তু বুস্টার ডোজ নেননি তাহলে অবশ্যই দ্রুত টিকা নিতে হবে। 

মানুষকে টিকা নিতে উৎসাহিত করতে জোর দিতে হবে। নিয়ম করে  মাস্ক পরার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। করোনায় সংক্রমিত হলে অবশ্যই আইসোলেশন থাকতে হবে। রাজধানীতে বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে অর্থাৎ দেশের যে কোন এলাকায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে সেই এলাকাটি চিহ্নিত করে গুরুত্ব বেশি দিয়ে সেই সব এলাকা চিহ্নিত করতে করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়