শিরোনাম
◈ ইন্টারপোলের রেড নোটিশ থাকা সত্ত্বেও ‘স্বাধীন’ পলাতকরা ◈ উরুগুয়ের সঙ্গে ড্র করে বিশ্বমঞ্চে আবারও চমক সৌদি আরবের ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, নেতানিয়াহুর জন্য নতুন সংকট ◈ বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব, তবে শর্ত আছে: শিশির মনির ◈ ‘দেখা করার কথা বলে’ শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু ◈ বিশ্বকাপে প্রথম অঘটন, স্পেনকে রুখে দি‌য়ে ইতিহাস কেপ ভার্দের  ◈ সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে 

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৩৩ দুপুর
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিয়মিত মুলা খেলে ভালো থাকবে লিভার, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ব্যস্ত জীবনযাপন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, মানসিক চাপ ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে এখন আর ফ্যাটি লিভার কোনো বিরল রোগ নয়। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ বুঝতেই পারেন না যে তারা লিভারের সমস্যা শুরু হয়ে গেছে। রুটিন পরীক্ষায় ধরা পড়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। লিভারের সুস্থতায় চিকিৎসা অবশ্যই জরুরি। তবে প্রতিদিনের খাবারে সামান্য পরিবর্তনও লিভার সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এমনই একটি সাধারণ কিন্তু কার্যকর খাবার হলো শীতের পরিচিত সবজি মুলা।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ নামামি আগারওয়াল মুলাকে আখ্যা দিয়েছেন লিভারের ‘সুপারহিরো’ হিসেবে। তার মতে, কোনো দামি সাপ্লিমেন্ট বা ডিটক্স ড্রিংক নয়-ঘরের এই সাধারণ সবজিটিই লিভারের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে যাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি রয়েছে।

মুলার অন্যতম গুণ হলো এটি লিভার থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদের ভাষায়, মুলা প্রাকৃতিকভাবে লিভারকে ডিটক্স করতে সহায়তা করে, ফলে লিভার আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে যাদের লিভার অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকে তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।

এছাড়া মুলায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে যা লিভারের প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে। 

লিভারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পিত্তরস (bile) তৈরি ও নিঃসরণ। মুলা পিত্তরসের প্রবাহ উন্নত করতে সাহায্য করে, যার ফলে শরীরে চর্বি হজম ভালোভাবে হয়। চর্বি সঠিকভাবে ভাঙতে পারলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমতে পারে।

মুলায় থাকা গ্লুকোসিনোলেটস নামের উপাদান প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এই যৌগগুলো এমন সব উপাদানের বিরুদ্ধে কাজ করে, যা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে নিয়মিত মুলা খাওয়া লিভারের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে।

খাদ্যতালিকায় মুলা যুক্ত করাও বেশ সহজ। সকালে খালি পেটে মুলার রস পান করা যেতে পারে, কিংবা সকালে মুলা ভেজানো পানি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া কাঁচা মুলা সালাদে যোগ করা বা প্রতিদিনের রান্নার অংশ হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।

তবে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ হলো-মুলা কোনো ম্যাজিক সমাধান নয়। এটি লিভারের ডিটক্স, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ ও চর্বি বিপাকে সহায়তা করলেও সর্বোচ্চ উপকার পেতে হলে প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। শেষ পর্যন্ত বলা যায়, সুস্থ থাকতে সব সময় জটিল কিছু দরকার হয় না। অনেক সময় ভালো স্বাস্থ্যের শুরু হয় আমাদের থালায় থাকা পরিচিত খাবার থেকেই। সূত্র: এনডিটিভি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়