মনিরুল ইসলাম: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন প্রার্থী, বিশেষ করে চিত্রনায়িকা রোজিনা ও পলি অনিয়ম, টাকা লেনদেন ও আচরণগত অভিযোগ তুলে আলোচনার জন্ম দেন। এ প্রেক্ষাপটে নবনির্বাচিত সভাপতি শিবাসানু বিষয়টি নিয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
আজ সোমবার নব-নির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু বলেন, পরাজিত প্রার্থীর মন স্বাভাবিকভাবে খারাপ হয়। হারলে মনে আঘাত লাগে। তখন চারপাশ থেকে অনেকে তাদের কানে অনেক কথা শোনায়। আমি শিল্পী সমিতির কমিটিকে সাজিয়ে কাজ করতে চাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদের কাজের সুযোগ থাকবে। এখানে উপকমিটি থাকবে। সেই কমিটিতে তাদের থেকে শিল্পীদের পাশে থাকার সুযোগ পাবে।
শিবা শানু আরও বলেন, হেরে গিয়ে মনে কষ্টে পেয়ে সন্দেহের কারণে তারা এগুলো বলতে পারে। আমি মনে করি অচিরেই এসব ভুল ভেঙে যাবে। আমি সবার সাথে কথা বলবো। দেখি তারা কী বলতে চাইছেন। টাকা পয়সা ছড়ানোর ব্যাপারে আমি একেবারে অবগত নই।
৪ জুলাই ভোরে ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি নির্বাচিত হন শিবাসানু এবং সাধারণ সম্পাদক হন জয় চৌধুরী। নির্বাচনে মোট ৫৭৩ ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোট দেন, এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল দুটি প্রধান প্যানেলের মধ্যে। এই নির্বাচনে রোজিনা ও পলিসহ কয়েকজন প্রার্থী পরাজিত হন।
চিত্রনায়িকা রোজিনা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আবেগঘন মন্তব্য দেন। অন্যদিকে পলি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে টাকা লেনদেন ও প্রভাব খাটানো হয়েছে।
নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে শিবাসানু অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দিলেও তা ব্যক্তিগত বক্তব্য হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ ও গণনা হয়েছে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।ব্যক্তিগত বা আবেগঘন মন্তব্য দিয়ে সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি সকল শিল্পীকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে বিভাজন না বাড়ে।