শিরোনাম
◈ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর লেখা বইসহ ৩ বই রাখার নির্দেশ বাতিল ◈ ছবি মুক্তির পরপরই জি-ফাইভ থেকে ‘সাতলুজ’ অপসারণ, দর্শকদের ডাউনলোড করা সংস্করণ দেখতে আহ্বান দিলজিৎয়ের ◈ ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ গরু চরাতে গিয়ে রাখালের ওপর সিংহের ভয়াবহ হামলা, ৩০ মিনিট আটকে রাখার পর উদ্ধারের ভিডিও ভাইরাল ◈ সমুদ্রের গুপ্তধনের খোঁজে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যের নকশায় তৈরি হচ্ছে ভাসমান গবেষণাগার ◈ গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক রক্ষায় কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ গাজায় প্রশাসনিক ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা, বিলুপ্ত হলো বর্তমান সরকার ◈ প্রধানমন্ত্রী বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে জমা দেন, মন্ত্রীদেরও একই আহ্বান ◈ রেফারিদের খেলা প‌রিচালনার মান নিয়ে ক্ষুব্ধ ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টু‌খেল  ◈ খাদ্যপণ্যের দাম কমায় জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩১ রাত
আপডেট : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ০১:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছবি মুক্তির পরপরই জি-ফাইভ থেকে ‘সাতলুজ’ অপসারণ, দর্শকদের ডাউনলোড করা সংস্করণ দেখতে আহ্বান দিলজিৎয়ের

ভারতের পাঞ্জাবের মানবাধিকার কর্মী যশন্ত সিং খালরা-র জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র 'সাতলুজ' মুক্তির মাত্র দুদিনের মধ্যেই সরিয়ে নিয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি-ফাইভ। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ। 

'সাতলুজ' সরিয়ে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইনস্টাগ্রাম লাইভে এসে ডাউনলোড করা লিঙ্ক থেকে দর্শকদের ছবিটি দেখার অনুরোধ জানান এই অভিনেতা ও গায়ক। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের এই পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ছিল। সেজন্যই কোনো ধরনের প্রচারণা ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্মে গেরিলা কায়দায় ছবিটি মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নির্মাতারা। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় জিফাইভে 'সাতলুজ'-এর স্ট্রিমিং শুরু হয়। ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া সত্ত্বেও, ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে, রোববার সন্ধ্যায় ছবিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ছবিটির গল্প প্রয়াত মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিং খালরার জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। পাঞ্জাবে চরম সহিংস সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করেছিলেন তিনি। ২০২৩ সাল থেকেই ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

প্রযোজক সংস্থা আরএসভিপি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, সরকারের নির্দেশেই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এনডিটিভি সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ ছবিটির কিছু অংশ 'ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে'। 

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের এক লাইভ সেশনে দিলজিৎ ভারতে ছবিটির মুক্তি নিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন। কেন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অনুমতি মেলেনি, তা নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। অভিনেতা বলেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে যে কয়েক দিনের মধ্যেই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হবে, তা নির্মাতারা আগে থেকেই জানতেন। সে কারণেই প্রচার-প্রচারণা ছাড়া গেরিলা পদ্ধতিতে মুক্তি পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল। 

সরিয়ে নেওয়ার আগে যেসব ভক্ত ছবিটি ডাউনলোড করেছিলেন, তাদের ধন্যবাদ জানান দিলজিৎ। ডাউনলোড লিঙ্কগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে ছবিটি দেখার জন্য উৎসাহও দেন তিনি। 

'সাতলুজ সরিয়ে নেওয়াটা বিস্ময়কর নয়'

ইনস্টাগ্রাম লাইভে দিলজিৎ বলেন, 'বিষয়টা আমার কাছে অপ্রত্যাশিত নয়। ছবি মুক্তির সময় থেকেই জানতাম এমনটা হবে। ভেবেছিলাম, সোমবার অফিস খুললে "সাতলুজ" সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে রোববারই যে এমনটা ঘটবে, তা আশা করিনি। প্রথম দিন থেকেই এসব চলছে, তাই আমরা ছবিটির প্রচার-প্রচারণাও করতে পারিনি।' 

এত কিছুর পরেও, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ডিজিটাল মাধ্যমে ছবিটি মুক্তি পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন এই গায়ক-অভিনেতা। তিনি বলেন, 'আমি খুশি, ছবিটি বহু মানুষের কাছে পৌঁছেছে। চেয়েছিলাম আমাদের কঠোর পরিশ্রম দর্শকদের কাছে পৌঁছক। এটি আপনাদের ছবি, আপনারা যেভাবে খুশি দেখতে পারেন।'

দিলজিৎ আরও বলেন, 'এমনটাই যে হবে, তা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ মুক্তি দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় ছিল না। দুদিন আগেও যদি আমরা ছবিটির প্রচার করতাম, তাহলে এটি আপনাদের কাছে পৌঁছাতই না। আজ সকালে আমি এক ভিডিওতে দেখলাম একটি গুরুদুয়ারায় ছবিটি দেখানো হচ্ছে।'

'গত চার বছর ধরে আমরা লড়াই করছি'

সেন্ট্রাল বোর্ড অভ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) দীর্ঘ তিন বছরের লড়াইয়ের পর স্ট্রিমিং মাধ্যমে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল। দিলজিৎ বলেন, 'নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার চেষ্টা হলে ছবিটি নিয়ে চর্চা আরও বাড়বে। আমার পরামর্শ শুনলে বলব, এমনটা করবেন না। বরং ছবিটি মুক্তি পেতে দিন। ইন্টারনেটে কোনো কিছু একবার ছড়িয়ে পড়লে তা পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব নয়।'

তিনি আরও বলেন, 'শুটিংয়ের সময়েও আমাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। বেশ কয়েকবার টানা আট-দশ দিন শুটিং বন্ধ রাখতে হয়েছিল। এমনকি আমাদের নিজেদের লোকেরাও অনেক ঝামেলা পাকিয়েছে।'

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগেই যে বহু অনুরাগী ছবিটি ডাউনলোড করে নিয়েছেন, সে কথা জানতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দিলজিৎ। তিনি বলেন, 'খুব ভাল করেছেন যে আপনারা ছবিটি ডাউনলোড করে নিয়েছেন। আমি আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম। জানতাম, এমনটাই হবে।'

এ সময় প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই অভিনেতা বলেন, 'লো কর লো ব্লক (পারলে ব্লক করে দেখাও), সবার কাছেই ডাউনলোড করা ছবিটা রয়েছে। এখন আপনারা কী করবেন? যারা ভাবেন যে ইন্টারনেট থেকে কোনো কিছু পুরোপুরি মুছে ফেলা যায়, তারা হয় অশিক্ষিত, নাহয় অবুঝ।' 

দিলজিৎ অবশ্য আগে থেকেই তার ছবির এই পরিণতির কথা আঁচ করেছিলেন। এর আগে আরেক লাইভে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগেই দর্শকদের দ্রুত ছবিটি দেখে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। 

রোববার সন্ধ্যায় ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার সময় সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে জিফাইভ লেখে, 'বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারতে "সাতলুজ" দেখা যাবে না। তবে যত দ্রুত সম্ভব দর্শকদের কাছে ছবিটি ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর জন্য যথাযথ আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে সমস্ত উপযুক্ত বিকল্প খতিয়ে দেখব।'

প্রথমে 'সাতলুজ'-এর নাম ছিল 'পাঞ্জাব '৯৫'। দীর্ঘ তিন বছরের লড়াইয়ের পর জিফাইভে ছবিটি বিনা কর্তনেই মুক্তি পেয়েছিল। তবে ছবির নাম বদলে রাখা হয় 'সাতলুজ'। 

এই জটিলতার সূত্রপাত ২০২৩ সালে। টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির প্রিমিয়ারের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার কয়েক দিনের মধ্যেই উৎসব থেকে ছবিটি প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন নির্মাতারা।

কেন্দ্রীয় সেন্সর বোর্ড সিবিএফসি ভারতেও চলচ্চিত্রটির মুক্তি আটকে দেয়। সার্টিফিকেট দেওয়ার আগে ছবিটির ১২৭টি দৃশ্য ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ারের জন্য সিবিএফসির সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক নয়। তবু টরন্টোড় চলচ্চিত্র উৎসব থেকে ছবিটি সরিয়ে নিতে হয়েছিল নির্মাতাদের। ১২৭টি দৃশ্যে কাঁচি চালানোর নির্দেশের মধ্যে নাম পরিবর্তনসহ ছবিতে পাঞ্জাবের নাম না নেওয়ার নির্দেশও ছিল। 

গত বছর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবিটির পরিচালক হানি ত্রেহান বলেছিলেন, 'আমি দৃশ্য কাটার বিরোধী নই। আদালত নির্দেশ দিলে বা আইনি বৈধতা থাকলে আমি ১৫০টি দৃশ্য কাটতেও রাজি। কিন্তু সরকার বা ক্ষমতাবান কেউ যদি বলে যে, ছবিটি তাদের রাজনীতির সঙ্গে মানানসই নয়, তবে তা অত্যন্ত আপেক্ষিক বিষয়।'

কী নিয়ে 'সাতলুজ'?

প্রথমে ছবিটির নাম ছিল 'ঘল্লুঘারা' (গণহত্যা)। পরে তা বদলে রাখা হয় 'পাঞ্জাব ৯৫'। ১৯৯০-এর দশকে পাঞ্জাবে বহু মানুষকে বলপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওইসব মানুষের হত্যাকাণ্ড ও সৎকারের তদন্তে নেমে ঘটনাগুলোর প্রকাশ্যে এনেচিলেন মানবাধিকারকর্মী যশবন্ত সিং খালরা। 

১৯৯০-এর দশক ছিল পাঞ্জাবের ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী অধ্যায়। ওই সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ উঠেছিল, তা প্রকাশ্যে আনতে এবং নথিবদ্ধ করতে যশবন্ত যে নিরলস লড়াই করেছিলেন, তা নিয়েই আবর্তিত হয়েছে এই জীবনীমূলক ছবিটি।

দিলজিৎ দোসাঞ্জ ছাড়াও 'সাতলুজ'-এ অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, সুবিন্দর ভিকি ও গীতিকা বিদ্যা ওলিয়ান।

'দ্য হিন্দু'তে ছবিটির রিভিউ করতে গিয়ে অনুজ কুমার লিখেছেন, 'বর্তমানে মানবাধিকার নিয়ে নানা মহলে সংশয় রয়েছে। অধিকার রক্ষার লড়াইকে প্রায়শই জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক আখ্যা দেওয়া হয়। এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে "সাতলুজ" নিছক কোনো পিরিয়ড ড্রামা নয়, বরং নির্ভীক ও সময়োপযোগী সতর্কবার্তা।'

অনুজের লিখেছেন, দীর্ঘদিন সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকা এই ছবি এক ভয়ানক অন্ধকারের গল্প বলে। তবে তার চেয়েও বড় কথা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচারের প্রবল ঝড়েও যে নিঃসঙ্গ এক মোমবাতি নিভে যেতে রাজি হননি, এ গল্প তারই।

কে এই যশবন্ত সিং খালরা?

যশবন্ত সিং খালরা ছিলেন পাঞ্জাবের মানবাধিকার কর্মী। রাজ্যে সন্ত্রাসবাদের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গোপনে মৃতদেহ দাহ করার মতো গুরুতর অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে এনে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন।

১৯৫২ সালে অমৃতসর জেলার খালরা গ্রামে তার জন্ম। আশির দশকে তিনি পেশায় ছিলেন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। পরে সক্রিয়ভাবে মানবাধিকার রক্ষার কাজে জড়িয়ে পড়েন।

'অপারেশন ব্লু স্টার', তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যা ও ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ যশবন্তকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। ওই সময় বহু শিখ পরিবার অভিযোগ করে, জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে পাঞ্জাব পুলিশ যাদের তুলে নিয়ে গেছে, তাদের আর কোনো খোঁজ মিলছে না।

২৫ হাজার 'বেওয়ারিশ' লাশ

একের পর এক মানুষ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হতে শুরু করায় সরকারি নথিপত্র থেকে তথ্য সংগ্রহে নামেন যশবন্ত। তার সেই অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে অমৃতসর পৌরসভার নথিতে। সেখানে তিনি হাজার হাজার মানুষের নাম, বয়স ও ঠিকানাসম্বলিত এমন কিছু নথি পেয়েছিলেন, যাদের পুলিশ বেআইনিভাবে হত্যা করে পরিবারের অজান্তেই দাহ করেছিল।

ছবিতে যশবন্তের চরিত্রে অভিনয় করা দিলজিৎকে বলতে শোনা যায়, পাঞ্জাবে ২৫ হাজার 'বেওয়ারিশ' লাশ সৎকার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯৯০-এর দশকে সন্ত্রাসদমন অভিযানে সহযোগিতা না করায় প্রায় ২ হাজার পুলিশ কর্মকর্তাকেও হত্যা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

যশবন্তের এই অনুসন্ধানের জেরে বিষয়টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনায় উঠে আসে। পাঞ্জাবে মানবাধিকার রক্ষার লড়াইয়ে অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি।

১৯৯৫ সালে নিখোঁজ

তবে ১৯৯৫ সালে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান যশবন্ত। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, নিখোঁজ হওয়ার আগে তাকে সর্বশেষ বাড়ির সামনে নিজের গাড়ি ধুতে দেখা গিয়েছিল।

১৯৯৬ সালে সিবিআই প্রমাণ পায়, তরন তারনের একটি থানায় তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। যশবন্তকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশের ৯ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা চালানোর সুপারিশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

২০০৭ সালের ১৬ অক্টোবর পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের বিচারপতি মেহতাব সিং গিল ও বিচারপতি এ এন জিন্দাল-কে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ চার অভিযুক্তের সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়