মনিরুল ইসলাম: চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে এফডিসি পাড়া। জমজমাট প্রচারণা চলছে। প্রতিদিনই এফডিসি চত্বর দুপুর হতেই সরগরম হয়ে উঠছে। বিকালে পরিপূর্ণ থাকছে শিল্পী সমিতির আশপাশ। বিশেষ করে শিল্পী সমিতির পাশের বাগানে ভিড় লেগেই থাকে। সমিতির পাশেই দুটি প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। দুই প্যানেলের সমর্থকরা এখানে আড্ডা দিচ্ছে। প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নানা কৌশলে চলছে নির্বাচনী প্রচার।
এদিকে, এবারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের হিট সিনেমা ‘চাঁদের আলো’র জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। আর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে তাকে পূর্ণ সমর্থন ও শুভকামনা জানিয়েছেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম ও সফল পর্দার জুটি জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী।
১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চাঁদের আলো’ সিনেমাটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এক মাইলফলক। শেখ নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল ওমর সানী ও মুক্তির। সিনেমার গল্প এবং বিশেষ করে ‘চুপি চুপি বলো কেউ জেনে যাবে’ গানটি সে সময় তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রথম সিনেমা দিয়েই এই জুটি দর্শকদের হৃদয়ে নাড়া ফেলেন।
সেই নায়ক ওমর সানী এফডিসিতে এসেন মুক্তিকে সমর্থন জানাতে। কথা বলেন গণমাধ্যমের সাথে।
ওমর সানী বলেন, মুক্তি আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা। আমি মুক্তিকে আশীর্বাদ দিতে এফডিসিতে এসেছি। আমি যদি এটা না করি তাহলে আমার কর্মজীবনের সঙ্গে গাফিলতি হবে। আমি চাই মুক্তি ভালো কিছু করুক।
দীর্ঘদিন পর পর্দার প্রিয় নায়িকাকে শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে দেখার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন ওমর সানী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন।
তিনি ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার একটি পোস্টার ও মুক্তির ছবি শেয়ার করে লেখেন, আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা, শ্রদ্ধেয় আনোয়ারা খালার সুযোগ্য কন্যা মুক্তি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছে। ওর জন্য আমার মন থেকে অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।
ওমর সানীর সমর্থন পেয়ে মুক্তি খুশী। তার ভাষায়, সমুদ্রের যেমন কূলকিনারা নেই এই খুশির তেমন কূলকিনারা নেই। আমার প্রথম সিনেমার নায়ক ওমর সানী ভাই। আমাকে দোয়া দিতে তিনি এসেছেন। তিনি আগে থেকেই দোয়া দিয়েছেন। এবার গণমাধ্যমের সামনে দিলেন। তাকে পাশে পেয়ে আমি ভীষণ খুশি।