শিরোনাম
◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৬ রাত
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৩০০ কোটির সিনেমার চেয়েও বেশি আয় ইউটিউব থেকে: নতুন জীবনে ফারাহ খান

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডে নানা ভূমিকায় কাজ করছেন ফারাহ খান। ক্যারিয়ারের শুরুতে ছিলেন নৃত্যপরিচালক। হৃতিক রোশন, সালমান খান, আমির খান, শাহরুখ খানসহ প্রথম সারির প্রায় সব তারকাকে নাচিয়েছেন তিনি। এরপর কোরিওগ্রাফার থেকে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ফারাহ। সিনেমা নির্মাণ করলেও বর্তমানে তার পরিচিতি সফল ইউটিউবার হিসেবে।

এ পর্যন্ত ফারাহ চারটি ছবি পরিচালনা করেছেন। প্রথম দুটি সফল হলেও পরের দুটি-‘তিস মার খান’ ও ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’-বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে প্রযোজকদের বড় আর্থিক ক্ষতি হয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফারাহ জানান, একসময় সফল সিনেমা তৈরি করতে পারছিলেন না তিনি। হাতে কোনো কাজও ছিল না। তখনই মাথায় আসে ইউটিউবে চ্যানেল খোলার চিন্তা। বাড়ির রাঁধুনি দিলীপকে নিয়ে শুরু করেন ‘ভ্লগিং’। তাঁর কনটেন্টে রান্নাসহ মজার কথোপকথন ও তারকাদের বাড়ির দৃশ্য দর্শকদের মন কাড়ে।

ফারাহ আরও জানিয়েছেন, ৩০০ কোটির সিনেমা বানিয়ে তিনি যতটা আয় করেছেন, তার চেয়েও বেশি আয় করেন ইউটিউব থেকে। তবে ঠিক কত আয় করেন, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু জানাননি।

জানা গেছে, ইউটিউবে ব্র্যান্ড কোলাবরেশন করলে তাঁর পারিশ্রমিক দাঁড়ায় ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে।

আইভিএফ পদ্ধতিতে ৩ সন্তানের মা হয়েছেন ফারহা। তিন সন্তানের নাম দিব্যা, অন্যা ও সিজার। ফারাহ বলেন, ‘আমার ছেলে-মেয়ে আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। সেটার বিশাল খরচ রয়েছে। সে কারণেই এই কাজটা শুরু করি।’

কাজের বিষয়ে ফারাহ বলেন, ‘আপনার জীবন অন্য কারও চারপাশে আবর্তিত হতে পারে না। আমি মনে করি, খুশি ও ভালো থাকা ভেতর থেকেই আসা উচিত। কাজ আমায় আনন্দ দেয়, ভালো রাখে। তাছাড়া, ভালো লাগার মতো কাজ হলে আমি ৮০ বছর পর্যন্ত সেটি করতে রাজি।’ সূত্র: আনন্দবাজার ও আজকাল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়