ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৫৪টির স্থায়ী ক্যাম্পাস আছে। আবার এদের মধ্যে মাত্র ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কার্যক্রম চালানোর সব শর্ত পূরণ করে গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সনদ পেয়েছে।
অর্থাৎ, দেশের ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই ইউজিসির সনদ নেই। এর মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা ৬৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫টিতে এখনো ক্লাসই শুরু হয়নি। আর নানা অনিয়মের কারণে অন্য ৫টির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। --- টাইমস অব বাংলাদেশ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী, অনুমোদনের সাত বছরের মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে হয়। ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ আরও পাঁচ বছর সময় বাড়ানো যায়।
বাড়তি সময় পার হওয়ার পরও শর্ত না মানলে ইউজিসি শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। তবে বাস্তবে এমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নজির মেলা ভার।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউজিসির সাবেক এক সদস্য বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দাপট রয়েছে। এ কারণেই ইউজিসি তাদের বিরুদ্ধে কোনো শক্ত পদক্ষেপ
নিতে পারে না।
তিনি জানান, গত বছর ৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা খামখেয়ালি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিল ইউজিসি, যেখানে কিছু পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়।