শিরোনাম
◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন ◈ গুম হওয়া ২৫০ জনের সন্ধান মেলেনি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অপহরণের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর ◈ দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তা বদলি ◈ চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন নয়: হাইকোর্টের নির্দেশ ◈ মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ◈ ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা চুক্তি পর্যালোচনার আগে কেন সরব বিহার? ◈ যেভাবে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যা করে ডাকাতির নাটক সাজায় দুই যুবক ◈ ‘দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব’ ◈ হাসিনাকে ঘিরে আটকে আছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ, অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে? ◈ স্বামীর করা যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৬, ১০:৪৮ দুপুর
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্বপ্ন। বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণার আধুনিক সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশের কারণে প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থী দেশটিতে পড়াশোনার জন্য আবেদন করছেন। তবে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই হয় না, স্টুডেন্ট ভিসা পেতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, নির্ভুল কাগজপত্র এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে ভিসা আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে নিলে পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে যায়। ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর শিক্ষার্থী প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অফার লেটার পায়। এতে কোর্স, ফি ও শর্তাবলি উল্লেখ থাকে। অফার গ্রহণের পর নির্ধারিত ডিপোজিট পরিশোধ করলে প্রতিষ্ঠান কনফারমেশন অব এনরোলমেন্ট (সিওই) ইস্যু করে, যা ভিসা আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস, পিটিই বা অনুমোদিত পরীক্ষার স্কোর জমা দিতে হয়। একই সঙ্গে জেনুইন স্টুডেন্ট (জিএস) শর্তের আওতায় আবেদনকারীর শিক্ষাগত উদ্দেশ্য, আর্থিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যাচাই করা হয়।

স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার ৭১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থের প্রমাণ দেখাতে হয়, যা টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিমা, মেডিকেল পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদও জমা দিতে হতে পারে।

সবশেষে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ইমিঅ্যাকাউন্ট’-এর মাধ্যমে ভিসা আবেদন সম্পন্ন করা যায়। আবেদন শেষে ভ্রমণসংক্রান্ত সর্বশেষ নিয়ম ও নির্দেশনা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করাও জরুরি, কারণ সময়ের সঙ্গে নীতিমালায় পরিবর্তন আসতে পারে।

সঠিক প্রস্তুতি, নির্ভুল ডকুমেন্ট এবং ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারলে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ অনেকটাই সহজ হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ