সালেহ্ বিপ্লব: [২] জীবনযাত্রার ব্যয়ের গবেষণার ভিত্তিতে রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের কর্মীদের জন্য এন্ট্রি লেভেলে এই মজুরি সুপারিশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। রোববার পোশাক খাতের জন্য ন্য্যূনতম মজুরি সংশোধন, মনিটরিং ও সুপারিশ বিষয়ক এক সংলাপে এ প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।
[৩] বর্তমানে প্রবেশ স্তরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সরকারগঠিত মজুরি বোর্ড এ মজুরি নির্ধারণ করে।
[৪] সিপিডি’র হিসেবে, বিদেশি ক্রেতারা পোশাক প্রতি অতিরিক্ত ৭ সেন্ট দিলে কারখানার মালিকরা এই মজুরি দিতে চাপের মুখে পড়বেন না।
[৫] গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
[৬] তিনি জানান, গার্মেন্টস সেক্টরে একটি ব্যাপক জরিপের মাধ্যমে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির প্রস্তাবটি করা হয়েছে। ৭৬টি কারখানায় ২২৮ জন শ্রমিকের পর এ জরিপ করা হয়।
[৭] অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক তামিম আহমেদ।
[৮] প্রবন্ধে বলা হয়, সরকার ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করবে এই বোর্ড। বোর্ড ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। নভেম্বর মাসের মধ্যে নতুন ন্যূনতম মজুরি চূড়ান্ত হতে পারে।
[৯] সিপিডি বলেছে, ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আরএমজি সেক্টরের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা এবং শ্রমিকদের জীবন-জীবিকার উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। তাই মজুরির বর্তমান কাঠামো পরীক্ষা করে নতুন মজুরি নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
[১০] অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের মালিক প্রতিনিধি ও শ্রমিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।