এল আর বাদল: গত ফেব্রুয়ারিতে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ দিকে স্বাক্ষরিত 'পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি'র অধীনে বাংলাদেশ কয়েক হাজার কোটি ডলার মূল্যের মার্কিন বিমান, জ্বালানি ও কৃষি পণ্য ক্রয়ের পরিকল্পনাসহ একাধিক প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে।
এমন এক সময়ে তা ঘটছে, যখন কি-না বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমাতে বাংলাদেশকে চাপ দিয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকার পররাষ্ট্র ও অর্থনীতি বিষয়ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ স্পষ্ট, যার মধ্যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেশটি থেকে আমদানি বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট চাহিদাও রয়েছে। --- দ্য নিউএইজ
এদিকে, আরো বেশি মার্কিন পণ্য কেনার জন্য বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অধিক বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে ধারনা করা হয়, যা নিয়ে বিশ্লেষকরা সমালোচনা করলেও ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উভয়ই এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীরব।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি বা ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে মনে করেন বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ ও কূটনীতিক।
কারণ, ইতোমধ্যেই জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।