শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে বাংলাদেশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ◈ বন্যায় নিহতদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশ-নেপাল ‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি সিরিজ আগামী মা‌র্চে ◈ দরপত্রের শর্ত শিথিল, সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনবে সরকার ◈ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত দুই দফায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে: জয়সওয়াল ◈ ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, প্রকাশ্যে এলো ছবি ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাড়ছে আরেকটি ট্রেন, যেখানে যেখানে থামবে ◈ স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামী বললেন—‘আমি আজ থেকে মুক্ত’ ◈ সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৮২ জন নিহত ◈ ৫৬০ কিলোমিটার দূরত্ব কমিয়ে যেভাবে বাণিজ্য বদলে দেবে চীনের নতুন জলপথ ◈ একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ, ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৫ রাত
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দরপত্রের শর্ত শিথিল, সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনবে সরকার

চলতি বছরের বাকি সাড়ে তিন মাসের জন্য ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চীনের ইউনিপেক ও পেট্রো চায়না এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে এসব জ্বালানি কেনা হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর বাইরে দরপত্র ছাড়া একই সময়ের জন্য আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

advertisement

দরপত্র ছাড়া সরাসরি কেনাকাটা করতে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের নীতিগত অনুমোদন লাগে।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদ কমে যাওয়ায় এর আগে দরপত্র ছাড়া ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল এ কমিটির সভায়।

advertisement

অগাস্টেও একইভাবে দরপত্র ছাড়া দুই দফায় ২২ কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত হয়। ১৯ আগস্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাতটি কোম্পানি থেকে দুই কার্গো করে মোট ১৪টি কার্গো এলএনজি কেনার।

তার আগে ৬ আগস্ট একইভাবে ৮ কার্গো এলএনজি এবং দেশের ‘আপৎকালীন’ এলপিজি চাহিদা পূরণ ও বাজারের ‘স্থিতিশীলতা’ নিশ্চিত করতে ৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির সিদ্ধান্ত হয়।
বুধবারের পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির সিদ্ধান্তের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, জিটুজি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ৫০:৫০ অনুপাতে কেনার যে শর্ত ছিল, তা বৈঠকে শিথিল করা হয়েছে।

advertisement

সে অনুযায়ী দুই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি চীনের ইউনিপেক ও পেট্রো চায়না এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে জিটুজি চুক্তির আওতায় এসব পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত হয়।

তাতে খরচ হবে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। তবে কী পরিমাণ জ্বালানি আমদানি হবে, তা অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি।

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় ছয় মাস ধরে কার্যত বন্ধ। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা মান্দেব প্রণালীতেও হুমকি তৈরি করায় নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারকে পশ্চিম এশিয়ার বাইরে অন্য উৎস থেকে বাড়তি দামে তেল-গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। কখনও আবার দরপত্র ছাড়াই কিনে চাহিদা মেটাতে হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ