শিরোনাম
◈ দেশে উৎপাদন সম্ভব, এমন কৃষিপণ্যের আমদানি কমাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী ◈ টাকার বিনিময়ে কল রেকর্ড-লোকেশন বিক্রি, যেভাবে চলত চক্র ◈ ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে: হুমায়ুন কবির ◈ এনসিপির মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা: ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারী ◈ চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার কথা চলছে: বিমানমন্ত্রী ◈ ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র ◈ মাদরাসা নিয়ে বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের, বন্ধ হচ্ছে ২৫২টি ◈ আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ ◈ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু, একদিনেই ৬ মৃত্যু

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:১৩ রাত
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এলসি ছাড়াই পণ্য আমদানির সুযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

বাণিজ্য খাতের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ বাস্তবায়নে চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালার আওতায় এখন থেকে ঋণপত্র বা এলসি খোলা ছাড়াই কেবল ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন ব্যবসায়ীরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২৪ আগস্ট আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি করে। ওই আদেশের আলোকে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ সার্কুলার জারি করেছে।

advertisement

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সকল পণ্য কোনো ধরনের মূল্যসীমা ছাড়াই কেবল চুক্তির ভিত্তিতে আমদানি করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত হিসাব বা ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে, যা আমদানিকারকদের নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনায় বাড়তি স্বস্তি দেবে। 

তবে এলসি ছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে বলে স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

advertisement

এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানিকারকদের জন্য পণ্য সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় আরও বেশি নমনীয়তা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশেষ করে নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ব্যবস্থা লেনদেন ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করতে পারে।

advertisement

রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহের ক্ষেত্রেও নতুন নীতিতে যুক্ত করা হয়েছে। নতুন নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে দেশীয় মুদ্রায় এবং ‘ফ্রি-অব-কস্ট’ বা বিনা মূল্যে উৎপাদনের কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারবে। একইসঙ্গে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আমদানি করা পণ্য এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহ-সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির সময় এডি ব্যাংকগুলোকে আমদানি নীতি আদেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর মধ্যে নতুন কোনো আমদানি নীতি আদেশ জারি না হলে বর্তমান আদেশের বিধানই কার্যকর থাকবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট 

  • সর্বশেষ