মনজুর এ আজিজ : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ (বেপজা ইজেড-১)-এ এলইডি পণ্য উৎপাদন শিল্প স্থাপনে ১৫ দশমিক ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেড। দেশের রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে বেপজার চলমান উদ্যোগে এ বিনিয়োগ নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে গতকাল বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং ইকোলেটের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। রাজধানীর বেপজা কমপ্লেক্সে সংস্থাটির পক্ষে সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং ইকোলেটের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোলিমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৬০ লাখ পিস এলইডি বাল্ব ও ডেকোরেটিভ লাইটসহ ল্যাম্প উৎপাদন করবে। এসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রপ্তানি করা হবে। প্রকল্পটি ৩০৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রচলিত রপ্তানি খাতের বাইরে উচ্চমূল্যের ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে পণ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে বেপজার প্রচেষ্টায় এ বিনিয়োগ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ইকোলেটের বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন তৈরি পোশাক খাতের বাইরে পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ ও বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পভিত্তির বৈচিত্র্যকরণে অবদান রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের বাইরে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বেপজা তার পণ্য সম্ভার বৈচিত্র্যময় করার জন্য কাজ করছে। এলইডি পণ্যের অন্তর্ভুক্তি আমাদের পণ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের চলমান প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
প্রকল্পটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রযুক্তিনির্ভর বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে আরও অবদান রাখবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম. আনোয়ার পারভেজসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইকোলেটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।