শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকার কেন তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই উদ্যোগ কার স্বার্থ রক্ষা করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি জানায়, পর্যাপ্ত আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়াই এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এতে নীতিনির্ধারণে আমলাদের দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এমন তাড়াহুড়োর কারণ এবং এর পেছনের স্বার্থ কী তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনাটি নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকারকে খসড়া পরিকল্পনাটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সিপিডি জানায়, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে প্রায় ৭০ হাজার ৫১২ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলএনজি থেকে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার কমিয়ে ২৯ শতাংশে নামানো হবে। একই সময়ে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৭ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মহাপরিকল্পনায় ২৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ২০৫০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৩২ গিগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সিপিডির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০৪০ সালের আগে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। তাছাড়া এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২০৫০ সালের মধ্যে জ্বালানি খাতে প্রায় ৭০ থেকে ৮৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন পড়বে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজন ধরা হয়েছে ১০৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এ পরিমাণ টাকা কোত্থেকে কিভাবে আসবে সেটিরও রূপরেখা স্পষ্ট করতে হবে।

  • সর্বশেষ