নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘পেপার প্যাকেজিং’ পণ্যকে ২০২৬ সালের ‘বর্ষ পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারের এ ঘোষণা দেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটি বলছে, এক সময় সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর এই খাত বর্তমানে দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সক্ষমতা অর্জন করেছে।
বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, পেপার প্যাকেজিং শিল্প বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির একটি কৌশলগত সহায়ক খাত। ‘বর্ষ পণ্য’ ঘোষণার ফলে এই শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্যাকেজিংয়ের প্রতি বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
বিজিএপিএমইএ জানায়, গার্মেন্টস শিল্পের শুরুর দিকে দেশের প্যাকেজিং খাত পুরোপুরি আমদানিনির্ভর ছিল। তবে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সরকারের নীতিগত সহায়তায় বর্তমানে এই শিল্প খাত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে এই স্বীকৃতির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং বাংলাদেশ সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বিজিএপিএমইএ।