শিরোনাম
◈ চাকরি ও দক্ষ কর্মীর খোঁজ মিলবে এক জায়গায়, উদ্যোগ সরকারের ◈ মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি, তদন্তের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দ্রুতই আলোচনা: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ!

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৪:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০২:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংকটকে কাজে লাগিয়ে বাজারে জাল ডলার-রুপি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা

মাসুদ আলম : রাজধানীর দারুস সালামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও ২৭ লাখ টাকার জাল নোটসহ চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চক্রের মূলহোতা উজ্জল দাস ওরফে সোবহান শিকদার, আব্দুর রশিদ, মো. মমিনুল ইসলাম ও শাহ মোঃ তুহিন আহমেদ ওরফে জামাল। বুধবার তদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের জাল টাকা, ভারতীয় রুপি ও আমেরিকান ডলার, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জালনোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ২০০ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি জালনোট বাজারে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলো চক্রটি। 

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিডফোর্ট থেকে রঙ, ফয়েল সংগ্রহ করে বিভিন্ন দেশের জালনোট ও স্ট্যাম্প তৈরি করে আসছিলেন। বর্তমান বিশ্ব বাজারে ডলার সংকট হওয়ায় তারা ভারতীয় জাল রুপি ও আমেরিকান জাল ডলার তৈরি করে বিদেশেও পাচার করছিল।

সারাদেশে তাদের এজেন্ট রয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার জালনোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখে প্রান্তিক ধাপে ৫০ লাখ বিক্রি করতো। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যে কোন পরিমাণের জালনোট প্রস্তুত করে দিতো তারা। তবে বাংলাদেশি টাকার ক্ষেত্রে তারা কম মূল্যমানের নোট যেমন- ১০০ ও ২০০ টাকার নোটও জাল করছিলো। যা প্রায় খালি চোখে ধরা অসম্ভব।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৮-৯ বছর ধরে চক্রটি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প মেয়াদে বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন মূল্যমানের জাল নোট, ভারতীয় রুপি, আমেরিকান ডলারসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত করে আসছিলো। তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ ও অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে তা দিয়ে আগামী রমজান-ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারতো।

এক প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, সস্তায় পেয়ে বাইরে থেকে ডলার কিনে অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন। এর দায় যে কিনবে তারই, কারণ ডলার কেনা উচিৎ ব্যাংক অথবা কোন অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে। আমরা এই চক্রটিকে সেদিন গ্রেপ্তার না করলে পরদিনই জাল নোট আর স্ট্যাম্পগুলো বাজারে চলে যেতো। এ অবস্থায় সকলকে ব্যাংক অথবা অনুমোদিত জায়গা থেকে ডলার কেনার অনুরোধ জানানো হয়।

এমএ/এএ

  • সর্বশেষ