রাজধানীতে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। পুলিশের দাবি, সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করত তারা। দাবি পূরণ না হলে চালানো হত সংঘবদ্ধ হামলা।
জানা যায়, চেম্বারে রোগী দেখে বাসার উদ্দশে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) বেরিয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আসাদুর রহমান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাতে সাড়ে ১০টার দিকে শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে এলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল যুবক।
এ ঘটনায় ডা. মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় জীবন ওরফে আদিলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার কিছু দিন আগে একটি অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন করে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
রাজধানীতে আলাদা এমন দুই চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল হক ও অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন: সানি সাহা ও ফাতিন ইসরাক লাবিব।
পুলিশের ভাষ্যমতে, হুন্ডি ব্যবসায় লোকসান গুণে সানীর নেতৃত্বে চাঁদাবাজির এ গ্রুপ তৈরি করেন তারা। সেখানে সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির পরিচয় সংগ্রহ করে চাঁদা চাওয়া হয়। চাঁদা না পেলে করেন সংবদ্ধ হামলা।
ঢাকায় একাধিক বিদেশি দূতাবাসেও ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরইমধ্যে দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং ডিবি পুলিশ।