শিরোনাম
◈ কাউকে বন্ধ বা থামিয়ে রাখার মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ৩ বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ◈ পাথরঘাটায় ট্রলারডুবি: ২২ ঘণ্টা পর ৫ জেলের লাশ উদ্ধার ◈ চার বছর পর গম-আটা-ময়দা রপ্তানিতে ভারতের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাংলাদেশে বাড়তে পারে আমদানির সুযোগ ◈ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী ◈ ইং‌লিশ লি‌গে চেল‌সি ফুলহ্যামকে হারালো ৩-২ গো‌লে ◈ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাইরাল প্রধান শিক্ষকের কাণ্ড (ভিডিও) ◈ একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরা ১ সেপ্টেম্বর থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন ◈ আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করছে ইরান: নেতানিয়াহু

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৪:৪১ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইন বেটিংয়ের অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পাচার, গ্রেপ্তার তিন সদস্য

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

সোমবার (৮ জুন) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. সোলায়মান (৪৭), মো. সাগর মিয়া (২৮) ও মো. জুয়েল রানা (৩২)।

সিআইডি জানায়, মো. সোলায়মানকে টাঙ্গাইলের কাগমারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় তার মালিকানাধীন একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর থানার কলেজপাড়া এলাকা থেকে মো. সাগর মিয়া ও মো. জুয়েল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিপিসি নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় দেশের ভেতর ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং (জুয়া) ওয়েবসাইটের কার্যক্রম শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব জুয়ার সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনোকে কেন্দ্র করে অর্থের বিনিময়ে বেটিং পরিচালিত হচ্ছিল। এ ঘটনায় বেটিং সাইটে ব্যবহৃত বিভিন্ন এজেন্টের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করে সিআইডি বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করে। পরে সাইবার পুলিশ সেন্টার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনলাইন বেটিংয়ের এজেন্ট নিয়োগ করেছিল। এজেন্টদের এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে সেগুলো বেটিং সাইটে ব্যবহার করা হতো। জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্তে অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত একটি এজেন্ট নম্বরের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা অনলাইন বেটিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত এজেন্ট সিম ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে এজেন্ট সিম ও হিসাব সরবরাহ করতেন, যা অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত হতো। গ্রেপ্তারকৃত মো. সোলায়মান অর্থের বিনিময়ে তার এজেন্ট সিম মো. সাগর মিয়ার কাছে সরবরাহ করতেন। অন্যদিকে মো. সাগর মিয়া ও মো. জুয়েল রানা এমএফএসের ডিএসও হিসেবে কমিশনের বিনিময়ে বিভিন্ন এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে জুয়ার সাইটে সরবরাহ করতেন। এসব সিম অনলাইন বেটিং সাইটে অর্থ জমা ও উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

 

  • সর্বশেষ