শিরোনাম
◈ দেশের যেসব অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা ◈  সরকার থেকে বরাদ্দ করলে সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানির প্রয়োজন নেই: সংসদে আলোচনা ◈ ঈদে যানজট এড়াতে ডিএমপির ২২ নির্দেশনা ◈ ব্রিকসকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে বাংলাদেশের: ডা. দীপু মনি ◈ পল্টনে ফাইন্যান্স টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে ◈ নেপিয়ার ঘাস খেয়ে মারা গেলো খামারের ২৬ গরু ◈ এমপি আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ সাধারণ নাগরিকের মতো করেই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ◈ ড. ইউনূসের কথা অসত্য, জনগণের জন্য অপমানজনক: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২৪, ০৪:৫৯ দুপুর
আপডেট : ২০ মে, ২০২৪, ০৪:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডাকাতি করতে গিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪   

মুযনিবীন নাইম: [২] নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন । আড়াই হাজারসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১।

[৩] গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. আব্দুল্লাহ (২৪) ও তার সহযোগী মো. মতিন (৩৫), চাঁন মিয়া (২৮) ও মো. আয়নাল (২৫)। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ভুক্তভোগীর মোবাইলসহ একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, একটি শাবল, একটি দা, দুটি রামদা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ করা হয়।

[৪] সোমবার  দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত চক্র, এ চক্রের মূলহোতা আব্দুল্লাহ। চক্রে ১০ থেকে ১২ জন সদস্য রয়েছে। গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে তারা ২ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল। তারা গত ১৫ মে রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ডাকাতির উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। সে সময় গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ ও মতিন জানালা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে।

[৫] এসময় ভুক্তভোগী ও তার মায়ের ঘুম ভেঙে গেলে তারা ভয়ে চিৎকার করেন। পরে গ্রেপ্তাররা তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখেন। পরবর্তীতে আসামিরা ঘরের দরজা খুলে দিলে গ্রেপ্তার চাঁন মিয়া ও আয়নালসহ অন্যান্য সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসহ ঘরে প্রবেশ করে। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীর মাসহ ঘরে উপস্থিত সবার হাত, পা ও মুখ বেঁধে ফেলে।

[৬] র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, পরবর্তীতে গ্রেপ্তাররা ঘরের ভেতর মূল্যবান জিনিসপত্র না পেয়ে ক্ষোভে ভুক্তভোগীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে গ্রেপ্তাররা  ভুক্তভোগীর মুখ ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। পরে ভুক্তভোগীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রেখে তারা পালিয়ে যায়।

[৭] কমান্ডার আরাফাত বলেন, গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ ডাকাত চক্রের মূলহোতা।  সে আগে একটি স্পিনিং মিলে চাকরির সময় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে ডাকাত চক্রটি গড়ে তোলে। ডাকাতি পেশাকে আড়াল করার জন্য ছদ্মবেশে বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জের ভূলতা-গাউসিয়া এলাকার বাসের হেলপার ও রিকশা চালাতো।

[৮] মতিন আব্দুল্লাহর অন্যতম সহযোগী।  সে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ডাকাতি পেশাকে আড়াল করার জন্য ছদ্মবেশে সিএনজি চালাতো। তার বিরুদ্ধে নরসিংদীর মাধবদী থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত ৩টি মামলা রয়েছে।

[৯] প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা দলবেঁধে ধর্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয় স্বীকার করেছে। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়