শিরোনাম
◈ পিকঅ্যাক্সে হামলার শঙ্কা, ইরান ঘিরে মার্কিন তৎপরতা : ৯ নভেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ? ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের নতুন কৌশল, গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ◈ চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় অবনতি, চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ◈ ২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করবে পর্তুগাল সরকার ◈ আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার, ধানের দাম ৩৫ টাকা কেজি ◈ দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে অনেক সমবায় সমিতি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ উৎপাদন এলাকায় কম, ঢাকায় কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের সবজি ◈ লিও‌নেল মে‌সি আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড

হারুন-অর-রশীদ, ​ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অপরাধে আরিফুল ইসলাম (২৪) নামের এক খণ্ডকালীন ইমাম ও মক্তব শিক্ষককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

​রোববার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

​দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফুল ইসলাম নগরকান্দা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের দয়ারামপুর এলাকার একটি মসজিদের খণ্ডকালীন ইমাম ও মক্তবের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ওই মসজিদে নামাজ পড়ানোর পাশাপাশি সকালে মক্তবে শিশুদের আরবি পড়াতেন।

​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর সকালে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে অন্য কোনো শিশু মক্তবে না গেলেও ভিকটিম শিশুটি একাই পড়তে যায়। এই সুযোগে আসামি শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দেন এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করতে বলেন। শিশুটি এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক অনৈতিক আচরণের চেষ্টা চালান তিনি। এ সময় শিশুটি পানি খাওয়ার বাহানা করে বাইরে বের হয়ে দ্রুত বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে।

Advertisement

​ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। ওইদিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

​মামলাটি তদন্ত করেন নগরকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম। তদন্ত শেষে তিনি একমাত্র অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

​মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামির উপস্থিতিতে আদালত এই রায় দেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং এর ফলে সমাজে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

  • সর্বশেষ