শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৪৫ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইন বন্ধুত্বের আড়ালে ভয়ংকর ফাঁদ, নিরাপত্তাহীনতায় শিশু-কিশোররা

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বন্ধুত্বের অনুরোধ, কয়েকটি বার্তা, এরপর ভিডিও বানানোর প্রলোভন—শিশু-কিশোরের কাছে যা নিছক অনলাইন যোগাযোগ, সেটিই কখনো কখনো পরিণত হচ্ছে ভয়ংকর ফাঁদে। টিকটক, ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র ধরে অপহরণ, হত্যা, ব্ল্যাকমেইল ও যৌন হয়রানির অভিযোগ এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফলে শিশুদের অনলাইন উপস্থিতি কতটা নিরাপদ—সে প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে।

সম্প্রতি কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী শিশু ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড এ উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, টিকটক ভিডিও বানানোর কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাটির তদন্তে ভুক্তভোগীর সঙ্গে কয়েকজনের অনলাইন যোগাযোগ, একটি আইফোন এবং টিকটক ভিডিও তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অপ্রতিমের ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নয়; এটি শিশুদের অনলাইন জগতের সঙ্গে বাস্তব জীবনের নিরাপত্তার সম্পর্ক কতটা গভীর হয়ে গেছে, তারও একটি সতর্ক সংকেত।

অনলাইন পরিচয় থেকে বাস্তব অপরাধ

Advertisement

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর সরাসরি দেখা করতে গিয়ে কিশোর-কিশোরীরা অপরাধের শিকার হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে ফেনীতে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে হয়রানির ঘটনা ভিডিও করে টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্য একটি ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে ঢাকার এক কিশোরী কুমিল্লায় ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনাগুলোর ধরন ভিন্ন হলেও একটি জায়গায় মিল রয়েছে—অনলাইন যোগাযোগের সীমা অতিক্রম করে তা বাস্তব জীবনের অপরাধে রূপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইনে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন, পরিচয় যাচাই না করা, আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাব কিশোর-কিশোরীদের সহজেই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ঠেলে দিতে পারে।

হাতে স্মার্টফোন, সামনে অচেনা দুনিয়া

বাংলাদেশে প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে শিশু-কিশোরদের অনলাইন উপস্থিতিও দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ অনুযায়ী, দেশের ৭২ দশমিক ১ শতাংশ পরিবারের বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।

বিএমজে ওপেন সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৮৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাদের মধ্যে ৮৪ শতাংশের প্রধান মাধ্যম স্মার্টফোন।

অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোরের হাতে এমন একটি প্রযুক্তি পৌঁছে গেছে, যার মাধ্যমে তারা একই সঙ্গে শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছে—আবার অচেনা মানুষের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত হতে পারছে।

এখানেই তৈরি হচ্ছে বড় নিরাপত্তাঝুঁকি।

বয়সসীমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কড়াকড়ি

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণের দিকে যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ২০২৬ সালের মার্চে এবং মালয়েশিয়া জুনে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ও বয়স যাচাইয়ের ব্যবস্থা করেছে।

এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ঝুঁকি ঠেকাতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা।

বাংলাদেশেও বয়সভিত্তিক অনলাইন সুরক্ষা ও প্রযুক্তিগত অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়সসীমা, বয়স যাচাইয়ের পদ্ধতি এবং প্ল্যাটফর্মগুলোর দায় কতটুকু—এসব বিষয়ে আরও স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঝুঁকি বুঝতে পারে না অনেক কিশোর

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বুলবুল আহমেদ খান বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশ তখনও বিকাশমান থাকে। ফলে অপরিচিত ব্যক্তির প্রলোভন কিংবা অনলাইনে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ প্রস্তাবের দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি তারা অনেক সময় বুঝতে পারে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় অঞ্চলের গবেষণাতেও শিশুদের মধ্যে সমস্যাজনক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

ফলে শুধু ‘সাবধান হও’ বললেই শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়। তাদের বয়স ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়াও জরুরি।

শুধু নিষেধাজ্ঞা কি সমাধান?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম রেজাউল ইসলাম মনে করেন, শুধু আইন বা বয়সসীমা নির্ধারণ করে পুরো ঝুঁকি দূর করা সম্ভব নয়। তবে নির্দিষ্ট বয়সের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে বিধিনিষেধ থাকলে শিশুদের নিরাপত্তা বাড়তে পারে।

তবে বয়স যাচাইয়ের নামে শিশু বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা জন্মনিবন্ধনের তথ্য নেওয়া হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

অর্থাৎ শিশুদের সুরক্ষার জন্য একদিকে বয়স যাচাই দরকার, অন্যদিকে সেই যাচাইয়ের প্রক্রিয়াই যেন নতুন করে ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি তৈরি না করে—এ দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য জরুরি।

শিশুরাই বলছে, চাপ বাড়ছে

ইউনিসেফ বাংলাদেশের ইউ-রিপোর্ট জরিপেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে শিশু ও তরুণদের উদ্বেগের চিত্র পাওয়া গেছে। জরিপে অংশ নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশ শিশু ও তরুণ ভুয়া খবর ও নেতিবাচক কনটেন্টকে মানসিক চাপের বড় কারণ হিসেবে দেখিয়েছে। অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে মত দিয়েছে।

অভিভাবকদের উদ্বেগও কম নয়। পড়াশোনা, যোগাযোগ ও তথ্যের প্রয়োজনে সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিতে হলেও অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, অশালীন কনটেন্ট, প্রতারণা এবং অনলাইন হয়রানি নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

তবে সন্তানের হাতে ফোন তুলে দিয়ে পরে শুধু ফোন কেড়ে নেওয়াকে সমাধান হিসেবে দেখছেন না তারা। প্রয়োজন পরিবারের মধ্যে খোলামেলা যোগাযোগ এবং সন্তানের অনলাইন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দায়িত্বশীল নজরদারি।

দায় কি শুধু পরিবারের?

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী সদস্য ইমতিয়াজ বিন হাফিজ মনে করেন, শিশুদের অনলাইন সম্পৃক্ততা থেকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যখন বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হয়, তখন শিশুদের নিরাপত্তার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।

এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি শিশুর অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ তৈরি হওয়ার পর তার সামনে শুধু পরিচিত বন্ধু নয়—অপরিচিত ব্যক্তি, প্রতারক, যৌন হয়রানিকারী কিংবা অপরাধী চক্রের সদস্যও হাজির হতে পারে।

তাই শিশু নিরাপত্তাকে শুধু ‘অভিভাবকের দায়িত্ব’ হিসেবে দেখলে সমস্যার বড় একটি অংশ আড়ালে থেকে যায়। প্ল্যাটফর্মগুলোর বয়স যাচাই, সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট শনাক্তকরণ, ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ এবং অভিযোগের দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা কতটা কার্যকর—সেটিও প্রশ্নের মুখে।

সরকারের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে?

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, ইউটিউব ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর ও অশ্লীল কনটেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। তরুণদের ডিজিটাল ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সাইবার নিরাপত্তা আইন সংশোধনের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকেও বয়স উপযোগী অনলাইন সুরক্ষা এবং অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হচ্ছে।

তবে নীতিমালা তৈরি করাই শেষ কথা নয়। বাস্তবে কোনো শিশু বিপজ্জনক অনলাইন যোগাযোগের শিকার হলে অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা, দ্রুত প্রতিকার, অপরাধীর শনাক্তকরণ এবং প্ল্যাটফর্মের জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে কাগজে থাকা সুরক্ষা কাঠামো খুব বেশি কাজে আসবে না।

দরকার সমন্বিত সুরক্ষা ব্যবস্থা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেট থেকে শিশুদের পুরোপুরি দূরে রাখা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ শিক্ষা, তথ্য, যোগাযোগ ও সৃজনশীলতার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন অপরিহার্য।

তাই সমাধান হতে পারে না শুধু ‘ফোন বন্ধ’ বা ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ’ করা। প্রয়োজন বয়সভিত্তিক সুরক্ষা, কার্যকর বয়স যাচাই, প্রযুক্তি কোম্পানির জবাবদিহি, অভিভাবকের সচেতনতা এবং শিশুদের ডিজিটাল সাক্ষরতা।

একই সঙ্গে স্কুল-কলেজে অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা চালু করা যেতে পারে। কোনটি ব্যক্তিগত তথ্য, অপরিচিত কারও সঙ্গে কী ধরনের যোগাযোগ ঝুঁকিপূর্ণ, অনলাইনে কেউ দেখা করতে ডাকলে কী করতে হবে, ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে—এসব বিষয় শিশুদের জানা জরুরি।

কারণ এখন প্রশ্ন শুধু একটি শিশু কতক্ষণ ফেসবুক বা টিকটক ব্যবহার করছে, তা নয়। প্রশ্ন হলো—অনলাইনে তার সঙ্গে কে যোগাযোগ করছে, কেন করছে এবং সেই যোগাযোগের পরিণতিতে বাস্তব জীবনে সে কতটা নিরাপদ।

কুমিল্লার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই প্রশ্নই আরও জোরালো করে তুলেছে। শিশুদের ডিজিটাল স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য না আনতে পারলে অনলাইন জগতের এই অদৃশ্য ঝুঁকি ভবিষ্যতে আরও বড় সামাজিক নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হতে পারে।

  • সর্বশেষ