আজিজুল ইসলামঃ যশোরের বাঘারপাড়ায় নাশকতার পৃথক মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাত নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাঘারপাড়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ২০২৪ ও ২০২৬ সালের নাশকতার পৃথক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাদের সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আটক তিনজন হলেন দোহাকুলা ইউনিয়নের ইন্দ্রা গ্রামের জহুরুল বিশ্বাসের ছেলে আব্দুর রব (৪৫), রায়পুর ইউনিয়নের সিলুমপুর গ্রামের মকলেছুর রহমানের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস ও দরাজহাট ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামের ইসহাক মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৪)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে উপজেলার খাজুরা বাজার এলাকায় বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ২০২৪ সালের ওই ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় আব্দুর রব, আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস ও রফিকুল ইসলামকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালে নড়াইল-যশোর সড়কের ছাতিয়ানতলা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে বাঘারপাড়া থানায় আরেকটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে।
তারা হলেন দোহাকুলা গ্রামের আমির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে ইউপি সদস্য ফিরোজ হাসান ভুট্টু (৫৩), বাউলিয়া গ্রামের হাতেম আলী বিশ্বাসের ছেলে ইকবাল হোসেন (৪২), বাঘারপাড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার মোল্লার ছেলে ওসমান আলী (৪০) এবং নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের ক্ষেত্রপালা গ্রামের ইউসুফ বিশ্বাসের ছেলে সেলিমুল আলম (৫৫)।
বাঘারপাড়া থানার এসআই প্রশেসজিত কুমার মন্ডল জানান , নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা এসব মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন আসামিদের আটক করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।