শিরোনাম
◈ টানা বৃষ্টি-ঝড়ে বিপর্যস্ত উত্তর প্রদেশ, তিন দিনে ৫৬ জনের মৃত্যু ◈ আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ : বাড়ি নির্মাণে সুবিধা পাবে ৪০ হাজার পরিবার ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪ ◈ হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ◈ কৃষকরাই দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ ও দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি ◈ এক দিনে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৬ ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ লঞ্চ-জাহাজ চলা বরিশালের সেই নদীগুলো এখন পরিণত হচ্ছে মরা খালে ◈ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছে, সেজন্য দুঃখিত: জ্বালানি মন্ত্রী ◈ চলতি অর্থবছরে রাজস্ব বাড়াতে এনবিআরের ‘থ্রি আর’ কৌশল

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:২৮ বিকাল
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে কালীবাড়ি মন্দিরের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

হারুন-অর-রশীদ, ​ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির থেকে চুরি হওয়া বহুমূল্য কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার ও বিভিন্ন পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ছয় দিনের মাথায় মূল মূর্তিসহ অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

​রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

​গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বুরাইচ গ্রামের আসাদুজ্জামান সাদ্দাম (৩৮), তার মা সাজেদা বেগম (৬৫), বোয়ালমারীর কান্দাকুল গ্রামের আল আমিন মোল্লা (২৪) এবং বোয়ালমারী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমান।

​মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে পূজা শেষে মন্দির তালাবদ্ধ করে চলে যান সেবায়েত ও মন্দির কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী। পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে মন্দিরে গিয়ে তিনি দেখতে পান তালা কেটে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ৩০ ভরি রৌপ্যালংকার ও পিতলের একাধিক প্রতিমা চুরি হয়ে গেছে। এজাহার অনুযায়ী চুরি হওয়া ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

advertisement

​মামলার পর পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীর নির্দেশনায় কোতোয়ালি থানা, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে গঠিত দল অনুসন্ধানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে।

​গ্রেফতার সাজেদা বেগমের দেওয়া তথ্যে তার বাড়ির রান্নাঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা স্বর্ণ-রৌপ্যের গহনা ও ৬টি পিতলের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সাদ্দাম ও আল আমিনের দেওয়া তথ্যে বোয়ালমারী রুপাপাত এলাকার একটি বাড়ির পিছনের মাটির তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয় কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটি। এছাড়া স্থানীয় এক জুয়েলারি দোকান থেকে মূর্তি থেকে চুরিকৃত গলানো স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া সাদ্দামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টিরও বেশি এবং আল আমিনের বিরুদ্ধে ৮টির বেশি চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। মামলাটি প্রাথমিক অবস্থায় সূত্রহীন থাকলেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে স্বল্পতম সময়ে এই সফলতা পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

  • সর্বশেষ