শিরোনাম
◈ টানা বৃষ্টি-ঝড়ে বিপর্যস্ত উত্তর প্রদেশ, তিন দিনে ৫৬ জনের মৃত্যু ◈ আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ : বাড়ি নির্মাণে সুবিধা পাবে ৪০ হাজার পরিবার ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪ ◈ হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ◈ কৃষকরাই দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ ও দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি ◈ এক দিনে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৬ ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ লঞ্চ-জাহাজ চলা বরিশালের সেই নদীগুলো এখন পরিণত হচ্ছে মরা খালে ◈ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছে, সেজন্য দুঃখিত: জ্বালানি মন্ত্রী ◈ চলতি অর্থবছরে রাজস্ব বাড়াতে এনবিআরের ‘থ্রি আর’ কৌশল

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোলায় চার শতাধিক মহিষ চুরির প্রতিবাদে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

ফরহাদ হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন চরে প্রায় চার শতাধিক মহিষ চুরি হওয়ার প্রতিবাদে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন মহিষ মালিকরা। রোববিবার বেলা ১১টার দিকে ভোলা প্রেস ক্লাবের সামনে প্রায় অর্ধ শতাধিক মহিষ মালিক এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, ধরে ভোলা সদর ও দৌলতখানের মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর, চর কাচিয়াসহ জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে তাঁরা বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে আসছেন। চরাঞ্চলের প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে গবাদিপশুর খাদ্যের সংস্থান করে তাঁরা খামার পরিচালনা করছেন।

মহিষ মালিকরা দাবি করেন, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বাথান থেকে প্রায় চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে।

এছাড়াও গত কয়েক বছরে ঘূর্ণিঝড় ও জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ১ হাজার মহিষ। এতে চরমভাবে লোকসানের মুখে পড়েছে মহিষ মালিকরা।

advertisement

তারা আরো বলেন, ভোলার মহিষের দুধের দই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। এতে ভোলার মহিষ মালিকরা অনেক উৎসাহিত হয়েছেন। মহিষ পালন আরো বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু মহিষ চুরি ও ঝড়-জোয়ারে মহিষ ভেসে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে মহিষ মালিক ও খামারিরা। বারবার প্রশাসনকে বিষয়টি জানালেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। কয়েকজন মহিষ চোর ধরা পড়লেও বন্ধ হয়নি মহিষ চুরি। মহিষ চুরির মূলহোতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য 
প্রশাসনের কাছে দাবি জানান মহিষ মালিকরা।

তারা আরো বলেন, এভাবে যদি মহিষ চুরি অব্যাহত থাকলে ভোলার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী মহিষ পালন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে শত শত খামারি আর্থিকভাবে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাহাবুদ্দিন ফরাজী, সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বর, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মন্নানসহ প্রমুখ। 

  • সর্বশেষ