শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি

এএফএম মমতাজুর রহমান, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং জোরপূর্বক তার কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রতিকার এবং সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকবৃন্দের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে রহস্যজনকভাবে ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করে আসছেন। শিক্ষকের এমন রুক্ষ আচরণের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ভীতি এবং মানসিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পত্রে আরও একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করা হয়, সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের ৩য় তলায় তাঁর একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেই কোচিংয়ে না পড়লে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা চরম উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 জানতে চাইলে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, ‘স্কুলের পর কোচিং করাতেই পারি। তাছাড়া এই স্কুলের পড়াশোনার পরিস্থতি বর্তমানে ভালো নয়। এজন্য দুর্বল শিক্ষার্থীরা আমার কোচিংয়ে পড়তেই পারে। আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য বা দুর্ব্যবহার করিনা। ওদের শাসন করার কারনে এমন অভিযোগ তুলতে পারে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষক নিজেই কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী টানতে পারবেন-এটি কোনো নীতিমালায় নেই। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকরা এসে ওই শিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

  • সর্বশেষ