শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি

এএফএম মমতাজুর রহমান, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং জোরপূর্বক তার কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রতিকার এবং সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকবৃন্দের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে রহস্যজনকভাবে ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করে আসছেন। শিক্ষকের এমন রুক্ষ আচরণের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ভীতি এবং মানসিক চাপের সৃষ্টি হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পত্রে আরও একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করা হয়, সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের ৩য় তলায় তাঁর একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেই কোচিংয়ে না পড়লে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা চরম উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 জানতে চাইলে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, ‘স্কুলের পর কোচিং করাতেই পারি। তাছাড়া এই স্কুলের পড়াশোনার পরিস্থতি বর্তমানে ভালো নয়। এজন্য দুর্বল শিক্ষার্থীরা আমার কোচিংয়ে পড়তেই পারে। আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য বা দুর্ব্যবহার করিনা। ওদের শাসন করার কারনে এমন অভিযোগ তুলতে পারে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষক নিজেই কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী টানতে পারবেন-এটি কোনো নীতিমালায় নেই। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকরা এসে ওই শিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

  • সর্বশেষ