শিরোনাম
◈ সারাদেশে লোডশেডিং, নেপথ্যে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং! ◈ চোরাচালান থেকে অপরাধী শনাক্ত, শাহজালাল বিমানবন্দরে বাড়ছে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়েছি: রণধীর জয়সোয়াল ◈ দেশে হামের উপসর্গে আরও ২ মৃত্যু, মোট ৮৮০ ◈ আখেরি চাহার সোম্বা বুধবার, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ◈ প্রবাসীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না দেওয়ায় ভবনের ফটকে গুলি ছুড়ে পালাল দুর্বৃত্তরা ◈ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে ২৭ আগস্ট ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার হবে: ইসি সচিব ◈ ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোটগ্রহণ হবে যেভাবে ◈ জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগে সরকারের আগ্রহ: জ্বালানি মন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩৮ বিকাল
আপডেট : ১১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরিষাবাড়ীর ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : একটিতে পাশ একজন

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : ​জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয় থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেনি। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চাপারকোনা এলাকার এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পরে রেজাল্টের পর দেখা যায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এ নিয়ে টানা দুইবার ওই বিদ্যালয়টিতে একজনও পাস করল না। এদিকে উপজেলার অন্য দুটি মাদ্রাসার চিত্রও একই রকম। এর মধ্যে সাতপোয়া ইউনিয়নের নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চর সরিষাবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও সবাই ফেল করেছে। একইভাবে কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও চারজনই অকৃতকার্য হয়েছে। অপরদিকে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাটাবুগা দাখিল মাদ্রাসায় ১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছে। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি আমাদের হতাশ করেছে। যারা ফেল করেছে তাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসেনি। বাহিরে কোচিং সেন্টারে পড়তো। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। তারপর প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিবো। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়