শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার ◈ ৯৩ এএসপিকে একযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পদায়ন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে এবার থানায় গেলেন সেই শিক্ষিকা ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন ◈ ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু, ৭ শ্রেণির ব্যক্তি যেতে পারবেন না ◈ ১২ দলীয় জোটে ভাঙনের শঙ্কা: বহিষ্কারের পথে দুই শরিক, জরুরি বৈঠক শিগগির ◈ সুন্দর সমাজ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ আন্দোলন শেষে কোন পথে ককরোচ জনতা পার্টি? ◈ বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ◈ আশিয়ান সিটি নিয়ে পুরোনো অভিযোগে নতুন গতি, নজরুল ভূঁইয়াকে ঘিরে তদন্ত ও আইনি তৎপরতা জোরদার

প্রকাশিত : ২৭ জুলাই, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ২৭ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম বিশৃঙ্খলা, অধরাই রয়ে গেছে অনিয়মে অভিযুক্তরা

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় চরম অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসকদের দায়িত্ব অবহেলা এবং কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।

তবে একের পর এক অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

​গত ২২ জুলাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে হাজিরা খাতায় সই করে সরকারি দায়িত্ব ফাঁকি দিয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকার প্রমাণ মেলে চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরুন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​সংবাদের জের ধরে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাঃ কামরুজ্জামান হাসপাতালটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা বলেন। তবে বহুল আলোচিত এই ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ায় সিভিল সার্জনের ভূমিকা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।

সিভিল সার্জন হাসপাতাল ত্যাগ করার পর পরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ডাঃ অরুন কুমার দাস নিজেকে ‘অভিজ্ঞ ডাক্তার’ দাবি করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সচেতন মহল একে কর্তৃপক্ষের প্রতি চ্যালেঞ্জ ও অনিয়মের ঢাকনা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে তীব্র সমালোচনা করেন।

​একই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জুলাই হাসপাতালের ৩ নম্বর প্রশাসনিক কক্ষে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জামির হোসেন এবং হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (মালি) মাহাবুব রহমানের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সহকর্মীদের এই মারামারি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো সুরাহা করতে পারেনি।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আমানউল্লা আল মামুনের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উদাসীনতার কারণেই হাসপাতালের এই বেহাল দশা।

চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ দলাদলি, দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং বিশৃঙ্খলা বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়