শিরোনাম
◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল ◈ লাল কার্ড পে‌লেন ওলিস, ৬ গোলের রোমাঞ্চে বায়ার্ন মিউনিখ‌কে রুখে দিলো ভাইকিং ◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ◈ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ২১ ইউনিটের ৪ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য

প্রকাশিত : ২৭ জুলাই, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম বিশৃঙ্খলা, অধরাই রয়ে গেছে অনিয়মে অভিযুক্তরা

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় চরম অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসকদের দায়িত্ব অবহেলা এবং কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।

তবে একের পর এক অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

​গত ২২ জুলাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে হাজিরা খাতায় সই করে সরকারি দায়িত্ব ফাঁকি দিয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকার প্রমাণ মেলে চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরুন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​সংবাদের জের ধরে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাঃ কামরুজ্জামান হাসপাতালটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা বলেন। তবে বহুল আলোচিত এই ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ায় সিভিল সার্জনের ভূমিকা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।

Advertisement

সিভিল সার্জন হাসপাতাল ত্যাগ করার পর পরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ডাঃ অরুন কুমার দাস নিজেকে ‘অভিজ্ঞ ডাক্তার’ দাবি করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সচেতন মহল একে কর্তৃপক্ষের প্রতি চ্যালেঞ্জ ও অনিয়মের ঢাকনা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে তীব্র সমালোচনা করেন।

​একই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জুলাই হাসপাতালের ৩ নম্বর প্রশাসনিক কক্ষে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জামির হোসেন এবং হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (মালি) মাহাবুব রহমানের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সহকর্মীদের এই মারামারি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো সুরাহা করতে পারেনি।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আমানউল্লা আল মামুনের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উদাসীনতার কারণেই হাসপাতালের এই বেহাল দশা।

চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ দলাদলি, দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং বিশৃঙ্খলা বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

  • সর্বশেষ