শিরোনাম
◈ মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংকের চার শাখা ◈ চীনে জ্বালানির দাম ১২% বৃদ্ধি, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ ◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ ◈ ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় বন্দিদশা, মুক্তিপণে দেড় কোটি টাকা দাবি ◈ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৮ বিকাল
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুর সদর হাসপাতালে শিশু রোগী বৃদ্ধি, বেগ পেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের

মিজান লিটন : আবহাওয়া পরিবর্তন ও পানি বৃদ্ধি কারণে সারা দেশের ন্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।সরে জমিনে দেখা যায়,গত কয়েকদিন ধরে জ্বর, সর্দি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া,হাম এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শতাধিক শিশু ভর্তি হচ্ছে,এদের মধ্যে বেশিরভাগই চরাঞ্চল থেকে আসা।

ফলে শয্যা সংকটের কারণে অনেককে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।শিশুর বর্তমান উপসর্গগুলো (যেমন: জ্বর, পাতলা পায়খানা,হাম,এলার্জি, শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে র‍্যাশ এসকল রোগী বেশী ভর্তি হচ্ছে।

শয্যা সংকটে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স-চিকিৎসকরা। হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু বিভাগে প্রচুর রোগী ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্সরা জানান, এসব রোগীদের মধ্যে জ্বর, সর্দি, ঠান্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, হাম ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি। ফলে রোগীদের বাড়তি চাপ বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। বেড সংকটে হাসপাতালের করিডোর এবং বারান্দার মেঝেতে বিছানা পেতে সেবা নিচ্ছেন রোগীরা। ফলে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকদের।

এক স্বজন বলেন, তিনদিন ধরে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি রয়েছে তার শিশু সন্তানকে নিয়ে।আমার মেয়ের ঠাণ্ডা ও খিঁচুনি। সিট না পাওয়ায় বারান্দার মেজেতে সিট দিয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন,বৈরী আবহাওয়া ও পানি বৃদ্ধির কারণে কারণে প্রতিবারই এ সময়টাতে  শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ বেশী হয়। তাই এ সময়টাতে তাদের প্রতি বাড়তি নজরদারি রাখতে হবে। হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসা,ওষুধ ও বেড নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে তাদের কোন প্রকারের অসুবিধা না হয়। আমরা সেই দিকটি নজরদারিতে রেখেছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়