শিরোনাম
◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা ◈ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ঠিকাদারের হুমকি ‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’, জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন ‘আমিও ছাত্রদলের নেতা ছিলাম' ◈ বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে কেন ভারত ছাড়তে বলা হলো, যা বললেন বিজেপির কিরিট সোমাইয়া ◈ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারে ০.৫% রিবেট দিচ্ছে সরকার, বিল সাশ্রয়ে যেসব সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৮:৩৪ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুন্দরবন উপকূলে চিংড়ির রেণু পোনার তীব্র সংকট, বিপাকে ফকিরহাটের লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন উপকূলে নিষিদ্ধ নেটজাল দিয়ে অবাধে শিকার করা হচ্ছে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু। এভাবে একটি চিংড়ির রেণু আহরণ করতে ২০০টি অন্য জাতের মাছে পোনা ধ্বংস হচ্ছে। এতে দিন দিন কমছে বনের মৎস্যসম্পদ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে সব মাছের রেণু আহরণ নিষিদ্ধ। সরকারি এই আদেশ অমান্য করে প্রকাশ্যেই নেটজাল দিয়ে বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদী ও আশপাশের বনের ভেতরে আহরণ করা হচ্ছে বাগদা, গলদাসহ বিভিন্ন মাছের পোনা। তবে, আহরণের পর দুই ধরনের চিংড়ির রেণু আলাদা রেখে বাকি রেণু ফেলে দেয়া হয়। এতে গণহারে অন্যান্য মাছের রেণুপোনা ও জলজ কিছু প্রাণীর লার্ভাও ধ্বংস হচ্ছে।

দ্রুত রেণুপোনা আহরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) আহ্বায়ক শেখ নুর আলম।
তিনি বলেন, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও প্রশাসনের নাকের ডগায় দিয়ে শত শত নৌকায় চিংড়ির পোনার আহরণ চলছে নিষিদ্ধ নেট জাল ফেলে। এক প্রকার অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফার স্বার্থে এমনটা করছেন। তারা একটি চিংড়ির রেণু আহরণ করতে গিয়ে ২০০টি অন্য জাতের মাছের পোনা তারা ধ্বংস করছেন। এতে একদিকে মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, আন্যদিকে আমাদের মাছের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এতে আমাদের পুষ্টিরও হানি হচ্ছে। এ ছাড়া এটা আমাদের জৈববৈচিত্র্যকেও নষ্ট করছে।

এ দিকে নিয়মিত অভিযানের কথা জানিয়ে মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মোংলার পশুর নদী ও শ্যালা নদীর রামপালের অংশ থেকে শুরু করে হারবাড়িয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিনিয়ত অভিযান চলে। কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী এতে আমাদের সহায়তা করে। চিংড়িসহ সব ধরনের পোনা ধরা থেকে বিরত রাখতে সচেতনও করা হচ্ছে জেলেদের। বাগেরহাট কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা মো. তারেক আহমেদ জানান, পশুর চ্যানেলে সব ধরনের রেণু তোলা নিষিদ্ধ। গোপন তথ্যের প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে।

মোংলার সুন্দরতলা, বিউটি মার্কেট ও চিলা বাজার এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার অবৈধ বাগদা ও গলদা রেণু পোনা বেচাকেনা হয়।

  • সর্বশেষ