শিরোনাম
◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার ◈ দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা ◈ বেনজীর প্রত্যর্পণে দ্রুত পদক্ষেপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন ◈ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সংসদে মির্জা ফখরুল ◈ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র ক‌রে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর! ◈ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ একনেক সভায় ৫ উন্নয়ন প্রকল্প পাস, ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৮:৩৪ রাত
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুন্দরবন উপকূলে চিংড়ির রেণু পোনার তীব্র সংকট, বিপাকে ফকিরহাটের লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন উপকূলে নিষিদ্ধ নেটজাল দিয়ে অবাধে শিকার করা হচ্ছে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু। এভাবে একটি চিংড়ির রেণু আহরণ করতে ২০০টি অন্য জাতের মাছে পোনা ধ্বংস হচ্ছে। এতে দিন দিন কমছে বনের মৎস্যসম্পদ। সংশ্লিষ্টরা জানান, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে সব মাছের রেণু আহরণ নিষিদ্ধ। সরকারি এই আদেশ অমান্য করে প্রকাশ্যেই নেটজাল দিয়ে বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদী ও আশপাশের বনের ভেতরে আহরণ করা হচ্ছে বাগদা, গলদাসহ বিভিন্ন মাছের পোনা। তবে, আহরণের পর দুই ধরনের চিংড়ির রেণু আলাদা রেখে বাকি রেণু ফেলে দেয়া হয়। এতে গণহারে অন্যান্য মাছের রেণুপোনা ও জলজ কিছু প্রাণীর লার্ভাও ধ্বংস হচ্ছে।

দ্রুত রেণুপোনা আহরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) আহ্বায়ক শেখ নুর আলম।
তিনি বলেন, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও প্রশাসনের নাকের ডগায় দিয়ে শত শত নৌকায় চিংড়ির পোনার আহরণ চলছে নিষিদ্ধ নেট জাল ফেলে। এক প্রকার অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফার স্বার্থে এমনটা করছেন। তারা একটি চিংড়ির রেণু আহরণ করতে গিয়ে ২০০টি অন্য জাতের মাছের পোনা তারা ধ্বংস করছেন। এতে একদিকে মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, আন্যদিকে আমাদের মাছের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এতে আমাদের পুষ্টিরও হানি হচ্ছে। এ ছাড়া এটা আমাদের জৈববৈচিত্র্যকেও নষ্ট করছে।

এ দিকে নিয়মিত অভিযানের কথা জানিয়ে মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, মোংলার পশুর নদী ও শ্যালা নদীর রামপালের অংশ থেকে শুরু করে হারবাড়িয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিনিয়ত অভিযান চলে। কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী এতে আমাদের সহায়তা করে। চিংড়িসহ সব ধরনের পোনা ধরা থেকে বিরত রাখতে সচেতনও করা হচ্ছে জেলেদের। বাগেরহাট কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা মো. তারেক আহমেদ জানান, পশুর চ্যানেলে সব ধরনের রেণু তোলা নিষিদ্ধ। গোপন তথ্যের প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে।

মোংলার সুন্দরতলা, বিউটি মার্কেট ও চিলা বাজার এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার অবৈধ বাগদা ও গলদা রেণু পোনা বেচাকেনা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়