শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহে তরুণ উদ্যোক্তার আঙুর বাগান : সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষোভ ১১ মাসে ফলনের অপেক্ষায় ৫০০ গাছ

জামাল হোসেন খোকন, মহেশপুর (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সাড়াতলা এলাকায় নিজ উদ্যোগে গড়ে ওঠা একটি আঙুর বাগান নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

উদ্যোক্তা মোহাম্মদ ছমির উদ্দিন প্রায় ৭৭ শতক জমিতে গড়ে তুলেছেন এই বাগান, যেখানে রয়েছে প্রায় ৫০০টি আঙুর গাছ। বাগানের বয়স এখন ১১ মাস, আর আগামী মে মাসেই শুরু হবে কাঙ্ক্ষিত ফল সংগ্রহ।

উদ্যোক্তা জানান, প্রতি বিঘায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাগানটি তৈরি করেছেন তিনি। তার প্রত্যাশা, প্রতিটি গাছ থেকে ২৫ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত আঙুর পাওয়া সম্ভব হবে। সে হিসেবে প্রথম বছরেই ভালো মুনাফার আশা করছেন তিনি।

তবে এত বড় উদ্যোগ নেওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন ছমির উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমি নিজের উদ্যোগে সব কিছু করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কৃষি অফিসের কেউ আমার বাগান পরিদর্শনে আসেননি। সরকারি কোনো সহায়তাও পাইনি।”

তিনি আরও বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সরকারি সহায়তা পেলে এই বাগান আরও উন্নত করা সম্ভব হতো এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠতেন।

এদিকে, তরুণদের উদ্দেশ্যে ছমির উদ্দিন বলেন, “চাকরির পেছনে না ছুটে কিংবা বিদেশমুখী না হয়ে কৃষিতে মনোযোগ দিলে স্বল্প সময়েই লাভবান হওয়া সম্ভব। আধুনিক পদ্ধতিতে আঙুরসহ বিভিন্ন ফল চাষ করে নিজেরাই সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়।”

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (UAO) ইয়াসমিন সুলতানার মুঠোফোনে ফোন করার পর রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ