শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:১১ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীকে হত্যা করে পালানোর পর প্রতিবেশীকে ফোন করে লাশ উদ্ধারের অনুরোধ স্বামীর

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর প্রতিবেশীকে ফোন করে লাশ উদ্ধার করতে বলেন স্বামী, এরপর তিনি পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (রাত সাড়ে ১০টার দিকে) শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝর্ণা আক্তার (১৬) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত ঝর্ণা আক্তার ওই এলাকার হামিদুল ইসলামের মেয়ে। প্রায় দুই বছর আগে তিনি নিজের পছন্দে মো. অপু নামের এক মিনিবাসচালককে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা শ্রীপুরের জংলাপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

বাড়ির মালিক লাভলী আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অপু ফোন করে এক ভাড়াটিয়াকে জানান, তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন এবং লাশ যেন উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ এসে ঘরের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে ঝর্ণা ও অপু নিজেদের মতো বিয়ে করে। এর পর থেকে পরিবারের সঙ্গে ঝর্ণার কোনো যোগাযোগ ছিল না। গতকাল রাতে তাকে জানানো হয় ভাড়া বাড়ির কক্ষ থেকে মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হামিদুলের ধারণা, তার মেয়েকে অপু হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উৎস: ইত্তেফাক।

 

  • সর্বশেষ