শিরোনাম
◈ জুলাই সনদ চাইবেন, কিন্তু বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না—দুইটা বিপরীতমুখী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ গেন্ডারিয়ায় হঠাৎ গোলাগুলি-মারামারি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩ ◈ নিরাপত্তা চেয়ে ঢাবি শিক্ষক মোনামির জিডি ◈ চার সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন ◈ লড়াই ক‌রেও ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলা‌দেশ এইচপি দ‌লের ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ ◈ ‘৬ মাস চলে গেল, আর কয় মাস লাগবে?’—সংসদে স্পিকারের প্রশ্ন ◈ বিপিএল ইস‌্যু‌তে বিসিবির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট ক্রিকেটাররা ◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়ে ২৬ হাজার কোটি টাকা ◈ ই-কমার্সে প্রতারণার জাল ভাঙতে ৩ নির্দেশনা, গ্রাহকের পাওনা প্রায় ৩,৮৬৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে চিকিৎসক সংকট চরমে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হাজারো মানুষ, উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজনেই সামলাচ্ছেন চারজনের দায়িত্ব

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তীব্র চিকিৎসক সংকট ও ওষুধের অপ্রতুলতায় ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। ফলে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বিভিন্ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, রোগীর উপস্থিতি থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অনেক ক্ষেত্রে একজন কর্মী দিয়েই চিকিৎসা সেবা, ওষুধ বিতরণসহ কেন্দ্রের সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলার উথলী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, আন্দলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিক,সাহাপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ও রায়পুর  কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, এদের মধ্যে উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও আন্দুলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন করে চিকিৎসকই সব দায়িত্ব পালন করছেন। এতে করে রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

উথলী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্বরত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফারজাহান মুক্তা বলেন, “এখানে একজন মেডিকেল অফিসার, একজন এসএসসিএমও, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন এমএলএসএস থাকার কথা। কিন্তু আমি একাই চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে শুরু করে ওষুধ বিতরণ ও কেন্দ্রের অন্যান্য কাজ পরিচালনা করছি। করোনা মহামারীর সময় একজন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ১১ বছর ধরে আমি এখানে কর্মরত আছি—ঝাড়ু দেওয়া থেকে শুরু করে সব কাজই একাই করতে হচ্ছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট ও পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় স্বাস্থ্যসেবার মান দিন দিন অবনতি হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টদের দাবি, চিকিৎসক সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ ও পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে করে সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

  • সর্বশেষ