শিরোনাম
◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ দিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটক, আগেই আন্দোলনের পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করে রেখেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ◈ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা ◈ শেখ হাসিনার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়, তিনি দেশে ফিরতে চান: জি এম কাদের (ভিডিও) ◈ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন, গবেষকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ ‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি, আমাদের কাছে তা আছে’: রাহুল গান্ধী ◈ খুলনার চার থানায় বিশেষ অভিযান, পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ◈ দিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক, কারণ জানাল পুলিশ ◈ ২০২৭ সালের হজ মিশন ভিসা পেতে ২৭০ এজেন্সিকে জরুরি নির্দেশ, তথ্য জমার শেষ সময় রোববার ◈ চুরির অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৮ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং সেচ ব্যাহত

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলায় টানা চার দিন ধরে লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজে ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে করিমগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ সংকটে বোরো ধানের সেচ কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। সদর, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, নিকলী, ইটনা, মিঠামইন, কটিয়াদী ও তাড়াইল উপজেলাতেও একই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন গ্রাহকরা।

পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় ও গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। দিন ও রাতে প্রায় প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে ২৪ ঘণ্টায় ১২ থেকে ১১৪ বার বিদ্যুতের আসা-যাওয়া হচ্ছে। লো-ভোল্টেজের কারণে বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বোরো মৌসুমে করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কৃষিজমিতে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার খয়রত গ্রামের কৃষক ওমর সিদ্দিক বলেন, “দিন-রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাই না। এখন সেচের সময়, কিন্তু লোডশেডিংয়ের কারণে পাম্প চালানো যাচ্ছে না। সময়মতো পানি দিতে না পারলে আবাদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে।”

বিদ্যুৎ সংকটে গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগও বেড়েছে। করিমগঞ্জ পৌর এলাকার কলেজ শিক্ষক কামাল হোসেন বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকায় পাখা চলে না। দুই মাস পর এইচএসসি পরীক্ষা, কিন্তু শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়তে পারছে না।

Advertisement

ইটনা উপজেলার চৌগাংগা গ্রামের গৃহিণী রেহানা আক্তার বলেন, “ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ঘরে থাকা যায় না। আমার ছোট সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা থাকে না।”

নিকলী ও মিঠামইনের হাওর এলাকা এবং পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুরে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা। নিকলীর বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, “রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আতিকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে গড়ে ১২০ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছে। ঘাটতির কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ