শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৪০ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

আদনান হোসেন, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ব্যাটারি কারখানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান ও লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযানে পাবনার বেড়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন— জাহিদ হাসান (৩৫), চাঁদ মিয়া (৬২) ও শোয়েব মিয়া (৩৯)।

পুলিশ জানায়, গত ২২ মার্চ গভীর রাতে ৩৫ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ধামরাইয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় হামলা চালায়। তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানায় ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করে বেঁধে ফেলে এবং প্রায় ৫৮ লাখ টাকার মালামাল লুটকরে নিয়েযায়।এ ঘটনায় কারখানার মালিক মো. রুবেল ধামরাই থানায় মামলা করেন।

ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত করে পুলিশ। প্রথমে জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার বেড়া এলাকা থেকে চাঁদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদ মিয়া জানান, তিনি লুট হওয়া মালামাল ১৭ লাখ টাকায় কিনে ২৪ লাখ টাকায় শোয়েব মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোয়েব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে শোয়েব মিয়ার কারখানার গুদাম থেকে লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল গলিয়ে তৈরি ৪৯টি সিসার গোলবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সিসার মোট ওজন প্রায় ১ হাজার ৪৪৯ কেজি, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত আরও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুটি পিকআপের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম কাওসার সুলতান জানান, এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলছে।

  • সর্বশেষ