শিরোনাম
◈ কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও সেরা ১০০ বন্দরে ৬৮তম চট্টগ্রাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৪ রাত
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারি হাসপাতাল কমপ্লেক্স থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্যসচিব 

নোয়াখালী প্রতিনিধি: সরকারি হাসপাতাল কমপ্লেক্স থেকে দালাল চক্র নির্মূল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামারুজ্জামান চৌধুরী।

শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যসচিব বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চিকিৎসা সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।সরকারি হাসপাতালগুলো মানুষের শেষ ভরসার জায়গা।সেখানে কোনোভাবেই দালালদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতাল এলাকায় দালালদের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন- অনেক সময় দেখা যায় রোগীরা হাসপাতালে প্রবেশ করার আগেই কিছু অসাধু দালাল তাদের ঘিরে ধরে। তারা রোগীদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এতে রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হন। এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

এই সচিব আরো বলেন, হাসপাতালের ভেতরে কিংবা আশপাশে যারা দালাল হিসেবে কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন, পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ নজরদারি টিম গঠন করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের প্রবেশপথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রোগীদের জন্য তথ্যকেন্দ্র চালু করা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

তিনি বলেন, রোগীরা যাতে কোনো দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি হাসপাতালের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে সেবা নিতে পারেন সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এজন্য হাসপাতাল এলাকায় সচেতনতামূলক ব্যানার, মাইকিং ও নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যসচিব আরও বলেন, কোনো হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা করে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে।স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।স্বাস্থ্যসেবা খাতে দুর্নীতি জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনা হবে।যেখানেই অনিয়ম পাওয়া যাবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আর চিকিৎসকদের অনিয়ম ও গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: মরিয়ম সিমি, বেগমগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা: হাসান খায়ের চৌধুরী, আরএমও ডা: সালেহ আহমদ সোহেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

  • সর্বশেষ