শিরোনাম
◈ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার পর সৌদি যুবকের আত্মহত্যা ◈ মতপ্রকাশের ব্যাপারে সরকার ‘খুব উদার’: তথ্য উপদেষ্টা ◈ নেপালে বন্যা: এক শিক্ষকের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে যেভাবে বেঁচে গেল ৯০০ শিক্ষার্থী ◈ নিজ সন্তান বি‌ক্রি করে আইফোন ক্রয়! ◈ জুলাই সনদ চাইবেন, কিন্তু বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না—দুইটা বিপরীতমুখী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ গেন্ডারিয়ায় হঠাৎ গোলাগুলি-মারামারি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩ ◈ নিরাপত্তা চেয়ে ঢাবি শিক্ষক মোনামির জিডি ◈ চার সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন ◈ লড়াই ক‌রেও ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলা‌দেশ এইচপি দ‌লের ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ

প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৩ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাজারে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, অতঃপর…

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অসুস্থ ও মরণাপন্ন গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় ওই আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ৪০০ কেজি গরুর মাংস মাটি চাপা দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে গরুর মাংস মাটি চাপা দেওয়া হয়। 

বুধবার (৪ মার্চ) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরের পৌর মার্কেটের মাংস ব্যবসায়ী আলী আকবর গাজীর দোকানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গরুর মাংস মাটি চাপা দেওয়ার নির্দেশ দেন ওই কর্মকর্তা। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিরাজ হোসেনও কোটালীপাড়া থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মাংস ব্যবসায়ী আলী আকবর গাজী অসুস্থ ও মরা যাওয়ার উপক্রম গরুর মাংস বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন।পাশাপাশি মাংস ক্রেতারা প্রতারিত হয়ে আসছিলেন।প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও পৌর সভার তদারকি কর্মকর্তার উদাসীনতার কারনে মাংস বিক্রেতারা মরা গরুর মাংস বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গরু মার্কেটে এনে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিয়ে পৌর সভার তদারকি কর্মকর্তার সামনে জবাই করার কথা রয়েছে। কিন্তু মাংস ব্যবসায়ীরা বাহির থেকে গরু জবাই করে ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই মার্কেটে মাংস বিক্রি করতে নিয়ে আসেন। বিষয়টিতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। 

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিরাজ হোসেন বলেন, বুধবার একটি গরু কীটনাশক মিশ্রিত মাঠের ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মরণাপন্ন ওই গরু তড়িঘড়ি করে জবাই করা হয়। সেই মাংস  ব্যবসায়ী আলী আকবর গাজী তার ফ্রিজে মজুদ করে রাখেন।এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ওই কর্মকর্তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। গরু জবাই করার আগে আমাদের দপ্তর থেকে সার্টিফিকেট নেওয়ার বিধান রয়েছে। তিনি এটি নেননি। এছাড়া ফ্রিজে গরুর মাংস, চামড়া, ভুড়ি ও পা একসঙ্গে সংরক্ষণ করেছেন।

এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই এসব অপরাধে মাংস বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ৪০০ কেজি গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে পুতে ফেলার নির্দেশন দেন। রাতে ওই গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে পুতে ফেলা হয়। 

অসুস্থ, মরণাপন্ন বা রোগাক্রান্ত গরু জবাই বন্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।  উৎস: নিউজ২৪

 

  • সর্বশেষ