শিরোনাম
◈ খার্গ দ্বীপ কি ‘ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে’, যা জানাল রয়টার্স ◈ মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ ◈ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন ◈ শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ◈ প্রোটোকল ভাঙা সফর: টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রতিমন্ত্রী হাবিবের নির্ভার উপস্থিতি, ভিন্ন সংস্কৃতির ইঙ্গিত ◈ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ ◈ নতুন পে-স্কেল: ৩০% দিয়ে শুরু, চার ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ◈ দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো কত ◈ আইফোন কিনতে লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৩ বিকাল
আপডেট : ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ভরেন ৫ তরুণ, ধরা পড়লো সিসি ক্যামেরায় (ভিডিও)

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে পাঁচ জন তরুণ ভোটকেন্দ্রের বুথে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্সে ভরছিলেন। বিষয়টি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনা দেখার পরপরই সেখানে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট যান। ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আধা ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটার পর তরুণদের একটি দল লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে পাঁচ জন তরুণ একটি বুথে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারতে শুরু করেন। বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। ওই ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন ব্যালট পেপারে সিল মারছেন। অন্য তিন জন সেই ব্যালট পেপার ভাজ করে বাক্সে ভরছেন। আরও তিন জনকে সেখানে দেখা যায়।


এ ঘটনায় পর আধা ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিনকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু হেনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদের কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনা দেখার পরপরই সেখানে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট যান। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, ওই কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কিছুটা দুর্বলতা ছিল। তাকে অব্যাহতি দিয়ে অন্য কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে।

ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘তারা হয়তো সর্বোচ্চ ৫০-১০০টি সিল মেরে থাকতে পারে। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, ব্যালট পেপারে যদি সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিল-স্বাক্ষর না থাকে, তাহলে সেটি অবৈধ। অবৈধ ব্যালট কাউন্ট করার কোনও সুযোগ নেই। আমরা সেই ব্যালট পেপার গণনা করবো না। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা ভোটারদের ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছি।’ উৎস: বাংলাট্রিবিউন ও কালবেলা।
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

  • সর্বশেষ