শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৮ বিকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হত্যার কৌশল: মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে থানার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এ তথ্য জানান।

ওসি জানান, পাশাপাশি বাসা হওয়ায় নিহত রোকেয়া রহমানের সঙ্গে তার মেয়ের গৃহশিক্ষিকা মীমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে গৃহশিক্ষিকা মীম তিনটি এনজিও থেকে মোট এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন, যার গ্যারান্টার ছিলেন রোকেয়া। সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করায় রোকেয়া টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এ দ্বন্দ্ব থেকেই মূলত হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রথমে গৃহশিক্ষিকা মীম (২২) ও তার ছোট বোন নুর জাহান মিলে রোকেয়ার মেয়ে ফাতেমাকে গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মীম ফোন করে রোকেয়াকে জানান, তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়েকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রোকেয়াকে গৃহশিক্ষিকার বাসায় ডেকে আনা হয়।

রোকেয়া বাসায় প্রবেশ করলে মীম ও নুর জাহান দুই বোন মিলে তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর রোকেয়ার মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, মীম সেই খাটের ওপরেই নিয়মিত ঘুমাতেন বলে জানায় পুলিশ।

ওসি আরও জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ফাতেমা শিক্ষিকার বাসায় প্রবেশ করছে। হত্যার পর ফাতেমার পরনের পোশাক পরে নুর জাহান ওই বাসা থেকে বের হয়, যাতে মনে হয় ফাতেমা বাসা ছেড়ে চলে গেছে। প্রকৃতপক্ষে বের হওয়া ব্যক্তি ছিল মীমের ছোট বোন নুর জাহান।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গৃহশিক্ষিকা মীম ও তার বোন নুর জাহান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বোনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৭ ডিসেম্বর নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি নিহত রোকেয়ার স্বামী শাহীন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (অপহরণ) অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

 

  • সর্বশেষ